এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০

শিরোনাম

  •              

ভৈরবে ৯টি এলাকা চিহ্নিত করে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন ঘোষণা

বিভাগ : দেশের খবর প্রকাশের সময় :১০ এপ্রিল, ২০২০ ১০:১০ : অপরাহ্ণ

এক পুলিশ সদস্য করোনা শনাক্ত হওয়ায় আরও ১৫জন পুলিশ সদস্যকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ভৈরব প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক পুলিশ সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসে সংক্রামণ ঠেকাতে উপজেলার ৯টি এলাকা চিহ্নিত করে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরুদ্ধ (লকডাউন) ঘোষণা উপজেলা প্রশাসন। আজ শুক্রবার বিকেলে এক জরুরী সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটি ও উপজেলা প্রশাসন। ফলে রাত ৮টার দিকে ইউএনও লুবনা ফারজানা স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অবরুদ্ধ (লকডাউন) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১০ এপ্রিল থেকে পরবর্তি নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই অবরুদ্ধ বা লকডাউন। এছাড়াও সন্ধ্যায় ৬টার থেকে কেউ বাসা থেকে বের হতে পারবে না। জানাগেছে, গেল ২৪ ঘন্টায় সারাদেশে ৯৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে রাজধানী ঢাকায় ৩৭জন, নারায়ণগঞ্জে ১৬জন এবং সারাদেশে ৪১জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে ভৈরবের এক পুলিশ সদস্যসহ কিশোরগঞ্জ জেলায় ৬জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। ফলে করোনায় আক্রান্ত পুলিশ সদস্যকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও তার সংস্পর্শে আসা আরও ১৫জন পুলিশ সদস্যকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে ভর্তি করা হয়েছে। ফলে জেলা পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য ও থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। তাছড়া শহরের কমলপুর এলাকার মনি ব্যচেলরস গলি ও গলির সামনে দোকানপাট এবং কেয়ার ফামের্সীসহ এলাকাটিকে অবরুদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সাথে চন্ডিবের মর্ডাণ হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ও মহিলা ওয়ার্ডসহ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের কক্ষ এবং শহরের চকবাজারকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার আকবরনগর বাজার, কালিকাপ্রসাদ ও শিবপুর ইউনিয়নসহ শম্ভুপুর গ্রামকে লকডাউন করা হয়েছে। এসব এলাকাগুলোকে বিপদজনক অর্থাৎ লাল পতাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলে এসব এলাকার লোকজন ঘরের ভেতরে অবস্থান করবে। শুধু তাই নয়, জরুরী পরিসেবা যেমন চিকিৎসা ও নিত্যপন্যসহ সকল ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও আশপাশের এলাকার লোকজন প্রবেশ ও প্রস্থান নিষেধ করা হয়েছে। একই সাথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ব্যতীত উপজেলার শহর এবং বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রবেশ এবং প্রস্থানে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মহামারীতে রুপ নেয়া করোনার সংক্রামণ ঠেকাতে জনস্বার্থে এই আইন কেউ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেবে প্রশাসন বলে জানান, ভৈরব উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ইউএনও লুবনা ফারজানা।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা