জহির রায়হান, বান্দরবান:
উচহ্লাভান্তে  পাহাড়ের এক আলোচিত মুখ। মৃত্যুর পরেও বির্তক  তার পিছু ছাড়ছে না। তার অনুসারী ও শিষ্যদের বিশ্বাস ছিল উচহ্লাভান্তে মারা গেলেও  তন্ত্র-মন্ত্র, তাবিজ-কবজ, ঝাঁড়-ফুঁক, দেবী-দেবীর আর্শিবাদ ও  আধ্যাত্মিক ক্ষমতার বলে তিনি  আবারো জীবিত হয়ে দেখাবেন। সে ধারণা ও আশায় টানা চারদিন মগ্ন ছিল শিষ্য ও ভক্তরা। ঐসময়ে অসংখ্য গুজবও ছড়িয়ে ছিল শিষ্যরা।  ১৩এপ্রিল দেহে পচন ধরলে বাধ্য হয়ে চারদিন পর তাকে মৃত ঘোষনা করা।
অবশ্যই বান্দরবান সিভিল সার্জন ডাঃ অং সুই প্রু মারমা স্থানীয় সাংবাদিকের নিশ্চিত করেছিলেন উচহ্লা ভান্তেকে যে দিন ম্যাক্স হাসপাতাল নিয়ে গেছে, সেদিন (শুক্রবার) নিজ বাসবভনেই মৃত্যু বরণ করেছে।
কিন্তু গুরু শিখিয়ে যাওয়া বিদ্যা পিছু ছাড়েনি শিষ্য-ভক্ত ও পরিবারে সদস্যদের। ভক্ত, অনুসরণকারীদের বোকা বানাতে নতুন করে ধাপ্পাবাজি শুরু করেছে  শিষ্যরা। গুজব ছড়ানো ও ধাপ্পাবাজি মূল চক্রান্তকারী উচহ্লা ভান্তে ঘনিষ্ট কয়েকজন শিষ্য। যেসব শিষ্য উচহ্লা ভান্তের তন্ত্র-মন্ত্রের ধান্ধাবাজির আসনটি দখল করতে চাই।
যেদিন ম্যাক্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় ভান্তেকে ম্যানেজার শিবু সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন ভান্তে লাইফ সাপোর্টে আছে। কিন্তু শিষ্য উ পন্ন্যা কাক্কা থেরা ফেইসবুকে পোস্ট করে জানান, ভান্তে উঠে বসেছে, পাশের এক রোগী থেকে পানিও চেয়ে পান করেছেন। ঐসময় অতীশ দীপষ্কর নামে এক বৌদ্ধ ভিক্ষু অনলাইনে প্রশ্ন ছুটে দিয়ে বলেন যিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন, তিনি কিভাবে উঠে মানুষ থেকে চেয়ে পানি পান করবেন। অবশ্যই তার উত্তর এখনো দিতে পারেনি উচহ্লাভান্তের শিষ্যরা।
উচহ্লা ভান্তের একই শিষ্য উ পন্ন্যা কাক্কা থেরা ভক্তদের উদ্দেশ্যে তার ফেইসবুক পেজে ১৯ এপ্রিল বলেন, সমালোচনাকারীর সমালোচনায় দুঃখ পেয়ে অন্তরে রক্তক্ষরণ হলেও সমালোচনাকারীকে মৈত্রী প্রদান করুন। কিন্তু তিনিই আবার ২১এপ্রিল ফেইসবুকে উচহ্লা ভান্তেকে নিয়ে ভক্তদের উদ্দেশ্যে  দেয়া বানীতে জেলা জুড়ে বির্তকের ঝড় তুলেছেন। তিনি লিখেন সকলের কল্যানকামী গুরুভান্তে প্রয়াত হয়েছেন আজ ৯ দিন হল। সকলেই জানেন, কোন ঔষুধ প্রয়োগ করে বা ফরমালিন প্রয়োগ করে শুরুভান্তেকে সংরক্ষণ করা হয়নি-ইহাই প্রকৃত সত্য। শুরুভান্তের পবিত্র শরীর আলো আছে। এর পরপরেই উচহ্লাভান্তের শিষ্য-ভক্ত ও তন্ত্র-মন্ত্র বিরোধীদের মধ্যে শুরু হয় আবারো নতুন করে বির্তক।
সে বির্তক পাঠকদের সুবিধার্থে হুবহু তুলে ধরা হলো-ঐসময় অতীশ দীপষ্কর নামে এক ওয়েবসাইটে ঐ বৌদ্ধ ভিক্ষু ঐ তথ্যকে মিথ্যা দাবী করে বলেন, যেখানে বিজ্ঞানের শেষ সেখানে শুরুভান্তের শুরু। হে অবিশ্বাসীগণ তোমরা কি জানো গুরুভান্তের শরীরে কোন ফরমালিন পুশ করা হয়নি। তাহলে অন্য কোন অষুধ কি তবে দেওয়া হয়েছিল?। যদি কোন ঔষধ ছাড়া লাশ অবিকৃত থাকে, তা তো সকলকে জানানো দরকার। এটি সত্যি সত্যি এক বিরাট বিষয়। এখানে বিজ্ঞান হেরে বাড়ি চলে যেতে বাধ্য। এর চেয়ে বড় খবরের কাছে বাকী সক বিষয় আলোচনা তো নস্যি!!!। তিনি বলেন, কোন অষুধ ছাড়া অগলিত কোন ভিক্ষুর যদি আবির্ভাব ঘটে তা বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই না করে বলি-জানানোর নূন্যতম দায়িত্ব সবার। এবার দেখি, হে বিজ্ঞানবাদী তোমরা কে কোথায় আছো, আসো, দেখো। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে  উচহ্লা ভান্তের শিষ্য ও ভক্তদের সাথে তন্ত্র-মন্ত্রে, ঝাড়ফুঁকের অবিশ্বাসীদের মধ্যে জোরেসোরে শুরু হয়  বাক-বিতন্ডা।
ডালিম বড়ুয়া কর্কাট করে লেখেন, এই মুহুর্তে পৃথিবীর প্রখ্যাত বিজ্ঞানীরা করোনা ভ্যাকসিন গবেষনা নিয়ে ব্যস্ত। যদি এরকম হয়ে থাকে সব বিজ্ঞানীরা ভ্যাকসিন গবেষনা বাদ দিয়ে মরদেহ নিয়ে গবেষনা শুরু করবে। অতীশ দীপষ্কর ওয়েবসাইটের লেখক উত্তর দেন, ঐ লাশের ডাক্তারি পরীক্ষা চ্যালেঞ্জ নিতে রাজি আছেন কেউ। তার প্রতি উত্তরে হ্লানু মারমা নামে উচহ্লা ভান্তের এক ভক্ত বলেন, পারমীগুণ মৃত্যু দেহের কোন রাসায়নিক ঔষধ প্রয়োগ করতে হয় না। তাই তাদের দেহের পচন ধরে না। ওনার শিষ্যরা যাই বলুক যা লিখুক। আপনারা এতো চুলকান কেন?। অতীশ দীপষ্কর ওয়েবসাইটের লেখক উত্তরে বলেন, আপনি যখন বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে মিথ্যা নাই বলেন, তাহলে আপনি মৃত লাশ নিয়ে মতলব বাজি করলে তখন তো চুলকাবেই। মৃতব্যক্তি নিয়ে ভন্ডামি বন্ধ করুন, কেউ সমালোচনা করবে না।
রতন বড়ুয়া নামে তন্ত্র-মন্ত্রের বিরোধী হ্লানু মারমার উদ্দ্যেশে লেখেন উচহ্লা ভান্তের যখন শ্রদ্ধেয় বৌদ্ধ ধর্মীয়গুরু বনভান্তের নাম  মুখে, না নেওয়ার কথা বলেছিল। শীলানন্দ ভান্তেকে উল্টাচড়ি থেকে উল্টা ধর্ম প্রচার করছে। ডাঃ দীপংকর ভান্তেকে বুদ্ধ মুর্তি চুরির অপবাদ দিচ্ছিল তখন পরামীবান লেগে ছিল, তাই না? এখন দেখেন কর্মফল কিভাবে ভোগ করছে। আর এত পরামীবান যদি হয় অসুখের সময় মেষ্কে লাগিয়ে সুস্থ হয়ে যেত পারতো। কেন তিনদিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হল? এখন বলছেন পরামী নগু ভান্তের মৃতদেহ নষ্ট বা পচন ধরে না। তাই সবাই অবশ্যই সত্যটা জানতে চাইবেই। ফেইসবুকে পোস্ট দিলে অবশ্যই সমলোচনা করবেই। সত্য তুলে ধরলাম ধন্যবাদ।
দীনান চাকমা নামে উচহ্লা ভান্তের এক ভক্ত রাগের ভাষায় লিখেন, অতীশ দীপষ্কর আপনি কয়েকদিন ধরে লক্ষ্য করছি জনৈক এই ভান্তের মৃত্যুতে সব চেয়ে বেশি খুশি হয়েছে। আনলাইক দিয়ে সরে যাওয়া উত্তম বুদ্ধি। এই পেজটির লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যে আসলে কি! খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে। কে চালায় পেজটি!। উত্তরে অতীশ দীপষ্কর বলেন, ফরমালিনের বিষয়ে এর চেয়ে একটি গঠনমূলক লেখা দিন আমরা প্রচার করব।
দীনান চাকমার উদ্দেশ্যে এস জয় ভান্তে বলেন, গঠনমূলক সমালোচনা তো করতেছে। কিন্তু আপিন কেন গঠনমূলক দেখতে পারচ্ছেন না?। একজন লোভ, দ্বেষ ও মোহ ভরা ব্যক্তির মৃত্যু এত রহস্য কিভাবে বানাতে পারে?।
বড়ুয়া বনেই জুবলি নামে অপর ব্যক্তি দীনান চাকমার উদ্দেশ্যে বলেন, ভাই আপনি যদি শ্রদ্ধেয় উচহ্লা ভান্তের শিষ্য বা ভক্ত না হয়ে থাকো, আপনি কি শুনেনি উচহ্লা ভান্তে অবৌদিক ভাউতাবাজি কথা?(দেবরাজ ঈদ্র নাচতে নাচতে বেহুস হতে বা আরও কত কিছু)। উচহ্লা ভান্তে যখন সর্বজন শ্রদ্ধেয় বন ভান্তেকে নিয়ে মিথ্যাচার করেছিল। তখন কি আপনি প্রতিবাদ করেছিলেন। তখন কোথায় ছিলেন আপনি। আর এখন মরাদেহ নিয়ে মিথ্যাচার করতেছে তার শিষ্যরা। যা বিজ্ঞান পরিপন্থি। এখন এর উত্তরে কি বলবেন দীনান চাকমা। পুদ্দুঃ পাত্র জোল আইডি থেকে লেখেন, গুরুভান্তে (উচহ্লাভান্তে) সারাজীবন মিথ্যা আশ্রয়ে নিয়ে জীবন অতিবাহিত করেছিলো। এখন সেই ধারাবাহিকতায় তার অনুসারীর শিষ্যরা।
রিতু বড়ুয়া উচহ্লাভান্তের শিষ্যদের উদ্দেশ্যে ফেইসবুকে লিখেন, ওরে বাটপার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আর কত বাটপারি দেখাবে। একজন মৃত ভান্তেকে নিয়ে এত চালচাতুরি করার কি আছে। সাহস থাকলে ডাক্তারী পরীক্ষা করে প্রমান দেখা ফরমালিন ছাড়া (উচহ্লাভান্তে) দেহ ঠিক কি ভাবে আছে। তাহলে ধরে নিবো বিজ্ঞান আজ মৃত। তোরা (উচহ্লাভান্তে শিষ্যরা) আর কত মানুষকে বোকা বানাবি। এসব ধান্ধাবাজি বন্ধ কর।
স্পার্ক জয় বলেন, জানিনা তাদের (উচহ্লাভান্তে শিষ্য)দের পরিকল্পনা কি?। হয়তো লাশটা নিয়ে নতুন ব্যবসার পরিকল্পনা চলতেছে।
বড়ুয়া ড্যানি জুবলি বলেন, এবার দেখি উচহ্লা ভান্তের পরে তার ভন্ড শিষ্যরাই আরএক আধ্যাত্মিক গুরু হয়ে বসে আছে। মনে করেছিলাম (উচহ্লাভান্তের) মৃত্যুর পর ভাউতাবাজী অবসান হবে। কিন্তু না, আরএকটা শুরু হল।
এ্যান্টনি চৌধুরী লিখেন, নিশ্চিত করে বলুন (উচহ্লাভান্তের দেহে) ফরমালিন ব্যবহার করা হয়নি। প্রতিউত্তরে আপু মারমা নামে উচহ্লাভান্তের এক ভক্ত রেগে গিয়ে লিখেন, এ্যান্টনি চৌধুরী আপনার এত চুলকানি কেন?। উত্তরে বলেন-আপু মারমা আপনি যখন বৌদ্ধধর্ম নিয়ে মিথ্যার বেসাতি করবেন। মৃত লাশ নিয়ে মতলব বাজি করবেন তখন তো চুলকাবেই। মৃতব্যক্তি নিয়ে ভন্ডামি বন্ধ করুন, কেউ সমালোচনা করবে না।
বিপ্লব আরিয়া নামে তন্ত্র-মন্ত্র বিরোধী লিখেন-আর কত বাটপারি করলে বাটপারির চরম ব্যবহার হয়েছে বলে গন্য হবে?। সেই দিনই তো শুনলাম ডাক্তারের অপ্রতুলতায় মৃত্যু হওয়ার ৭২ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার কারণে যতটুকু ফরমালিন দিতে হয় তার ৫০% পুশ করতে পেরেছে। আজকে আবার নতুন নাটক কেন?। তারিজ ব্যবসায় ধস নেমে আসবে বলে নাকি?। সত্যেন্দ্র চাকমা বলেন, বিপ্লব আরিয়া ওরা (উচহ্লাভান্তের শিষ্যরা) শুধু বাটপার না। মিথ্যুকও বটে সাথে অবশ্য তান্ত্রিকও।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে উচহ্লাভান্তেট প্রতিবেশী কয়েকজন  জানান, উচহ্লা ভান্তে বৌদ্ধধর্মের প্রচারের আড়ালে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তন্ত্র-মন্ত্রে, ঝাড়ফুঁকের বৈদ্য ব্যবসায় জড়িত ছিল। বিভিন্ন সময় তন্ত্র-মন্ত্রে, ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে নিরহ মানুষকে হয়রানী ও তাদের টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ সংবাদপত্রে তাকে নিয়ে খবরও প্রকাশিত হয়েছে। তারা আরো জানান, উচহ্লা ভান্তে তন্ত্র-মন্ত্র, তাবিজ-কবজ, ঝাঁড়-ফুঁক, দেবী-দেবতার বিদ্যালাভকারী ও এক আধ্যাত্মিক ক্ষমতা অধিকারী ধর্মীয়গুরু এমন ধারণাসিক্ত অন্ধবিশ্বাসী অসংখ্য শিষ্য ও ভক্ত বান্দরবানসহ অন্য দুই পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে তিনি গড়ে তুলেছেন। এই শিষ্য ও ভক্তদের মাধ্যমে উচহ্লা ভান্তে প্রতিমাসে আয় করতেন কোটি কোটি টাকা।
বৌদ্ধ ধর্মীয়গুরু ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু বলেন, প্রজ্ঞাজোতি ভিক্ষু (উচহ্লাভান্তে) কখনও অন্যের প্রভাব-প্রতিপত্তি, মান-সম্মান, সুনাম-সুখ্যাতি সহ্য করতে পারতেন না। সর্বজন শ্রদ্ধেয় বনভান্তেকে ভন্ড দাবী করে বনভান্তের বিরোধে বই লিখতে।  উচহ্লা ভান্তে আমাকে আরো বলেন, বনঠাকুরের মুখোশ উন্মোচন করে দিতে হবে। যত টাকা লাগে আমি দিবো এবং আপনি আমার সাথে বান্দরবানে আসেন। আপনার আসা-যাওয়া, বিমানভাড়াসহ অন্যান্য সকল খরচ আমি বহন করবো। ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু বলেন, উচহ্লাভান্তে নানা ভাষণে বনভান্তের সর্ম্পকে যে সমস্ত কটুক্তি ও অপপ্রচার করেছিল তা কারো অজানা নয়। এতে সিদ্ধ হয় উচহ্লাভান্তে কত পরশ্রীকাতর ও পরনিন্দুক ছিলেন। ড. বরসম্বোধি ভিক্ষু আরো বলেন, উচহ্লাভান্তে দেবতার মত সম্মান শ্রদ্ধা লাভ করতে এবং কোন প্রশ্নাতীতভাবেই সর্বত্র তিনি পূজ্য হতে পারতেন। কিন্তু তিনি বেশি লোভের কারণে, বেশি মানুষকে আকৃষ্ট করতে ধর্মকে অধর্ম ও অধর্মকে ধর্ম বলে তন্ত্র মন্ত্রাদি দেব-দেবী প্রভৃতি বুদ্ধ নিন্দিত ছল, কপট, কুহক, পরনিন্দা, পরচর্চা ও মিথ্যা বৃত্তির আশ্রয় গ্রহণ করে নিজের জীবনকে কলুষিত করার সাথে সাথে ধর্মকে দুষিত করেছেন। সমাজে প্রসারিত করেছেন ভ্রান্তনীতিকে। যে সারমেধ মহাস্থবির এসে সমাজকে সংস্কার করে এত বছর পর্যন্ত ত্যাগী ভিক্ষু ও সমাজ নেতৃবৃন্দ ধর্মকে তন্ত্র-মন্ত্র প্রভাব হতে মুক্ত করে যুতটুকু এগিয়ে নিয়ে এসেছিলেন উচহ্লাভান্তে আবার ততটুকু তান্ত্রিকতার আবরণে ঢেকে দিয়ে গেলেন। যার পরিনাম হবে সমাজে সুদুর প্রসারী। আর পরনিন্দা, পরচর্চার সংস্কৃতি সমাজে চালু করে একটা বিভক্তির রেখা টেনে গেলেন।
বির্তক এখানে শেষ নয়। রয়েছে চলমান। পরের পর্বে দেখুন উচহ্লা ভান্তের কর্মকৃতির নানান ঘটনা।