এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, রোববার, ২৯ নভেম্বর ২০২০

লক্ষ্মীপুরে রায়পুরে বেকারির মালিককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা

বিভাগ : চারপাশ প্রকাশের সময় :১৪ নভেম্বর, ২০২০ ১১:৩৯ : পূর্বাহ্ণ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের হিসাব চাওয়ায় জাহাঙ্গীর হোসেন (৩৫) নামের এক বেকারি মালিককে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে তারই পার্টনার মোঃ দুলাল (৩৬)। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) উপজেলার চরআবাবিল ইউনিয়নের হায়দরগঞ্জ বাজারে। এ ঘটনায় আজ (১৪ নভেম্বর) ৭ জনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাত ৭/৮ জনকে আসামী করে থানায় মামলা করেছেন আহতের স্ত্রী পারুল বেগম।
আহত জাহাঙ্গীর চরআবাবিল ইউনিয়নের উদমারা গ্রামের কৃষক মোঃ চৌধুরির ছেলে। অভিযুক্তরা হলেন, একই এলাকার মোহাম্মদের ছেলে মোঃ দুলাল, ভাই মোঃ হেলাল, রুহুল আমিনের ছেলে বাবুল, মোঃ রাশেদ, তোফায়েল মেস্তরির ছেলে কবির হোসেন ও নুর নবির ছেলে আইয়ুব। অভিযুক্তরা ভাই, শ্যালক ও আত্মীয় এবং স্থানীয়ভাবে দুর্বৃত্ত প্রকৃতির বলে অভিযোগ আছে। হামলার ঘটনার সিসি টিভি ফুটেজ দেখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বইছে।
আহত জাহাঙ্গীর, প্রত্যক্ষদর্শী ও ব্যবসায়ীরা জানান, প্রায় ৫ বছর আগে জাহাঙ্গীর, দুলাল ও হেলাল তিনজনে শেয়ারে হায়দরগঞ্জ বাজারে বিসমিল্লাহ বেকারী নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। কিন্তু দুলাল এককভাবে ওই বেকারি পরিচালনা করলেও সে তার শেয়ারহোল্ডারদের হিসাব দিতেন না। এদিকে এ ব্যবসার সাথে সাথে গোপনে দুলাল দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের মোল্লারহাট বাজারে নিজেই এককভাবে প্রায় ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে আরেকটি বেকারি চালু করেন। কয়েকদিন ধরে জাহাঙ্গীর ও জসিম তাদের হিসাব বুঝিয়ে দেয়ার জন্য দুলালকে অনুরোধ জানান। কিন্তু হিসাব না দিয়ে উল্টো দুলাল ও তার ভাই হেলালসহ স্বজনদের নিয়ে হায়দরগঞ্জ বিসমিল্লাহ বেকারিতে গিয়ে জাহাঙ্গীরকে গালমন্দ করতে থাকে। এতে জাহাঙ্গীর প্রতিবাদ করলে দুলালসহ অন্যরা মিলে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়। এসময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে আহত জাহাঙ্গিরকে উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার অবস্থা আশংকাজনক বলে কর্তব্যরত ডাক্তার জানান।
এঘটনায় অভিযুক্ত দুলাল ও তার ভাই হেলাল মোবাইলে জানান, জাহাঙ্গীর আমাদের সাথে বেকারি ব্যবসার পার্টনার আছে। কিন্তু করোনাকালে ব্যবসায় লস হওয়াতে সমস্যায় আছি। জাহাঙ্গীর আমাদের কোন কথা না শুনে হামলার হুমকি দেয়। তাই আমরা তাকে মেরেছি।
রাযপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুল জলিল বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

Print Friendly and PDF

ফেইসবুকে আমরা