এই মাত্র পাওয়া :

ঢাকা, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২০

‘‘বাচ্চার দুধ কেনার টাকা নাই”: গোপালগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত কর্মচারী

বিভাগ : দেশের খবর প্রকাশের সময় :12 December, 2019 1:54 : PM

মুন্সী মোহাম্মদ হুসাইন, গোপালগঞ্জ:

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিঞ্জান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের মাস্টার রোল ভিত্তিক কর্মচারী শারমিন বেগম। বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা হলের অফিস সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিন এর আমলে অনেক কাঠ-খড়ি পুড়িয়ে টাকা পয়সা খরচ করে মাস্টার রোলে নিয়োগ পান ওই নারী। তার মতো এরকম আরো ১৭৫ জন বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োগ পান। তৎকালীন ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিন থাকাকালীন তারা নিয়মিত বেতন-ভাতা পেতেন।

বিভিন্ন অনিয়-দূর্নীতি ও নারী কেলেংকারীর কারণে আন্দোলনের মুখে তৎকালীন ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিন পদত্যাগ করেন। ভিসির পদত্যাগের পর থেকে এসব কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বন্ধ হয়ে যায়। বিগত ৪ মাস যাবত এসব কর্মচারীরা কোন বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

দীর্ঘ চার মাস বেতন বন্ধ থাকায় এসব কর্মচারীরা এখন মানবেতর জীবন পার করছেন। বাধ্য হয়ে তারা এখন চাকুরী স্থায়ীকরণ, বকেয়া বেতন পাওয়াসহ তিন দফা দাবীতে আন্দোলনে নেমেছে। অবস্থান কর্মসূচী পালনসহ মানববন্ধন কর্মসূচীও পালন করেছে করেছে তারা।

ছয় মাসের শিশু সন্তান কোলে নিয়ে আয়শাও আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করে বসে পড়েছেন ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবীতে। হাতে তুলে ধরেছেন একটি প্লাকার্ড। তাতে লিখে এনেছেন ‘‘আমার কাছে বাচ্চার দুধ কেনার মতো কোন টাকা পয়সা নাই।”

আয়শার মতো আরো অনেক অনিয়মিত কর্মচারীরা আন্দোলনে নেমেছেন।চাকুরী স্থায়ীকরন না হওয়া পযন্ত তারা তাদের আন্দোলন করে যাবেন এমনটি দাবী তাদের।যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদেরকে তাদেরকে কর্মচারী মানতেই রাজী নয়। কেননা তাদেরকে কর্তৃপক্ষ কোন নিয়োগপত্রই দেয় নাই।



ফেইসবুকে আমরা