পটুয়াখালীর বাউফলে ঢাকাগামী তিনটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে প্রায় এক হাজার কেজি নিষিদ্ধ চাপলি ও জাটকা ইলিশ উদ্ধার করেছে উপজেলা মৎস বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২৭ফেব্রুয়ারি) রাত অনুমান ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদ গেটে মৎস বিভাগের অভিযানে এই মাছ উদ্ধার হয়।
বাসগুলো হলো, মুন পরিবহন, অন্তরা পরিবহন ও বাউফল ট্রাভেলস। এরমধ্যে দুটি পরিবহনকে কোনো জরিমানা করা হয়নি। বাউফল ট্রাভেলস বাসের সুপারভাইজার ফরিদ উদ্দিনকে ৫হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মুসলেকা রেখে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে, মাছ জব্দ করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নেয়ার পথে মাছগুলো ছিনিয়ে নেয় স্থানীয় সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা।
যাত্রীরা জানান, পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা, দশমিনা ও বাউফল উপজেলা থেকে বিভিন্ন কোম্পানির বাস নিয়মিত ঢাকায় যাতায়াত করে। রাতের চলাচল করা বাসগুলোতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ মাছ ঢাকায় নেয়া হয়। এতে গন্ধে অতিষ্ঠ তারা। তবে প্রতিবাদ করেও দীর্ঘদিন এর সমাধান মিলছে না।
নিষিদ্ধ চাপলি ও জাটকা ইলিশ মাছ শিকার ও পাচার বন্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার মাহাবুবুর আলম ঝান্টা।
উল্লেখ্য, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি এই রুটের মুন পরিবহন, অন্তরা পরিবহন ও ডলফিন পরিবহনে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫৬০ কেজি নিষিদ্ধ চাপলি ও জাটকা ইলিশ উদ্ধার করে মৎস বিভাগ৷ আর ২৫ ফেব্রুয়ারি বাউফল ট্রাভেলস নামের বাস আটক করে প্রায় ১২০ কেজি মাছ উদ্ধার করে জনগণ। পরে ইউএনও সেসব মাছ স্থানীয়দের বিলিয়ে দেয়, তবে সেসময় বাসের সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে জরিমানা বা শাস্তি দেয়া হয়নি।
বায়ান্ন/প্রতিনিধি/পিএইচ