খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সর্বদা তৎপর। সারাদেশব্যাপী শুরু হওয়া “অপারেশন ডেভিল হান্টের” অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরীতেও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, কিশোর গ্যাং, স্বর্ণ চোরাচালানকারী, মাদক ব্যবসায়ী, হত্যাকান্ডে জড়িত ও কুখ্যাত আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সাঁড়াশী অভিযান শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশ গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে নগরীর বাইপাস সড়কের মিঠু মটরস গ্যারেজের সামনে একজন অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করার উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। তৎপ্রেক্ষিতে পুলিশ দ্রুত সেখানে উপস্থিত হলে সে পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে পালানোর চেষ্টা করে। তখন সোনাডাঙ্গা মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস আভিযানিক টিম কৌশলে সন্ত্রাসী ইনসান শরীফ (২৯), পিতা-মোঃ মোশারফ হোসেন, সাং-সোনাডাঙ্গা ৩য় আবাসিক, থানা-সোনাডাঙ্গা মডেল, খুলনাকে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ হাতেনাতে আটক করে। আটককৃত সন্ত্রাসী ইনসানের হেফাজত হতে ১ টি ওয়ান শুটার গান, ২ রাউন্ড কার্তুজ এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনায় ব্যবহৃত রেজিস্ট্রেশন বিহীন ১ টি লাল রঙের অঢ়ধপযব মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা নং-০৮, তাং-১০/০২/২০২৫, ধারা-১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনে ১৯(অ) রুজু করা হয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও থানার রেকর্ডপত্র পর্যালোচনা করে সন্ত্রাসী ইনসান শরীফের বিরুদ্ধে সোনাডাঙ্গা থানায় ২ টি হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে আরো মামলা আছে কিনা তা যাচাই করা হচ্ছে।
উদ্ধারকৃত অবৈধ অস্ত্র দ্বারা সাম্প্রতিক সময়ে কোন অপরাধজনক ঘটনা সংঘটিত করেছে কিনা। আসামীকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতঃ অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, উদ্ধারকৃত অস্ত্র কোথায় কোথায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে ব্যবহৃত হয়েছে, কোথাও ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল কিনা, আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের সাথে কারা জড়িত এর মূল রহস্য উদঘাটনপূর্বক জড়িত তার সহযোগী আসামীদেরকে গ্রেফতারের এবং আরো অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
বায়ান্ন/প্রতিনিধি/এসএ