ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ওভার লোডিং পণ্যবাহী যান চলাচল, ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সড়ক ও সেতু কাজী রাশেদ,চান্দিনা (কুমিল্লা ) লাইফ লাইন খ্যাত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন বাস, ট্রাক ও প্রাইভেট কার সহ হাজার হাজার বিভিন্ন শ্রেণির যানবাহন চলাচল করছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম দিয়ে দেশের আমদানী-রপ্তানীর উল্লেখ যোগ্য পণ্য এ সড়ক দিয়েই চলাচল করছে। তাই এ মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ লেগেই থাকে। এমনিতেই এ মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ অন্যদিকে চলছে মহাসড়কে ওভার লোডিং পণ্যবাহী যানবাহন ও অতিরিক্ত কাঠ বোঝাই ট্রাক। যা একদিকে বেড়েছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অন্য দিকে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সড়ক ও সেতু।
উল্লেখ্য গত ২০১৩ সালে মেঘনা এবং মেঘনা-গোমতি সেতু দুটি ৪৩৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করে তৎকালীন সরকার। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ প্রতিনিয়তই সংস্কার করে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ।
এদিকে দেশের অর্থনৈতিক অবক্ষয় রোধে এবং দেশ মাতৃক ভালোবেসে সড়কপথ ও সেতু সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষনের জন্য এ মহাসড়কে ওভার লোডিং পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন কুমিল্লা জেলা কাভার্ডভ্যান,ট্যাংকলরী ও ট্রাক মালিক সমিতি ( রেজি: কুমি:১১৪ ) এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হানিফ।
তিনি অভিযোগে বলেন ব্রিজ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসন এবং কাঠ ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন লাইন ম্যানের যোগযাজসে ওভার লোডিং পণ্যবাহী যান চলাচল করছে প্রতিনিয়ত।তার লিখিত অভিযোগে আরো জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি ব্রিজে ওভার লোডিং এড়ানোর জন্য ব্রিজ অতিক্রম করার আগে ওজন স্কেলে অতিরিক্ত পণ্যবাহী ট্রাক যেতে দেয়া হতো না। অতিরিক্ত মালগুলো নামিয়ে অন্য ট্রাকে করে ব্রিজ পার করা হতো অথবা মামলা বা ঘুরিয়ে দেয়া হতো।। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ওভার লোডিং ব্যবস্থাপনা মানা হচ্ছে না।কতিপয় সংস্থা ও প্রশাসনের যোগযাজসে ব্রিজের ক্ষতি এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে ওভার লোডিং পণ্যবাহী ট্রাক গুলো পার করে দিচ্ছে।এতে ব্রিজের ক্ষতি সহ দুর্ঘটনার আশংকা রয়েছে।
এব্যাপারে দাউদকান্দি টোলপ্লাজায় দায়িত্বে নিয়োজিত প্রকৌশলী মোঃ ফারুক হোসেন জানান,দাউদকান্দি টোল প্লাজার পূর্বাংশে যে ৮টি ডায়নামিক স্কেল রয়েছে এর সবগুলো প্রায় ৬ মাস যাবত নষ্ট থাকায় আমরা অনুমান করে ওভার লোডিং নির্ণয় করে ব্রিজ পার করে দিচ্ছি।
এদিকে সড়ক ও জনপথ নারায়নগঞ্জ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম এর কাছে এ ব্যাপারেজানতে চাইলে তিনি জানান, আমি এ জেলায় সদ্য যোগদান করেছি। আমার অনিয়ম বা ত্রুটি সম্বন্ধে জানা নেই। আমি সব কিছু দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। টোল প্লাজা তিন বছর পর পর টেন্ডার হয়। মেয়াদ সম্ভবত কাছাকাছি এসে গেছে।আমরা নতুন করে দরপত্র আহবান করবো। আর ডাইনামিক স্কেল গুলো যদি অকেজো থাকে সেটা কিভাবে প্রতিকার করা যায় আমাদের চেষ্টা থাকবে।