জাতীয়

দৈনিক সাম্পান মাল্টিমিডিয়া ভার্সন উদ্বোধন

দৈনিক সাম্পানের ( মাল্টিমিডিয়া) উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট চলচিত্র শিল্পি রিনা খান ও জিসাস সভানেত্রী নাহিদ গুলনাহার ইভা।

দৈনিক সাম্পানের মাল্টিমিডিয়া ভার্সনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে  বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী রিনা খান বলেনছেন সংবাদপত্র সমাজের আয়না। আর বর্তমান যুগে মাল্টিমিডিয়া ছাড়া মিডিয়া কল্পনা করা যায় না। সোমবার (২৫ মে) অনুষ্ঠিত সভায় জিসাস কেন্দ্রিয় সভানেত্রী জিসাস সভানেত্রী  নাহিদ গুলনাহার ইভা  বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রিন্ট পেপারের পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। আজকাল মানুষ ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই তাৎক্ষণিক তথ্য জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠে। মাল্টিমিডিয়া প্রকাশিত হওয়ার পরদিন প্রিন্ট পেপারে প্রকাশিত হয়, কিন্তু মানুষ একদিন অপেক্ষা করতে চায় না। তারা ঘটনার আপডেট জানতে চায়।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দৈনিক চাম্পান একদিন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গণমাধ্যম হয়ে উঠবে।

কবির হোসেন সিদ্দিকীর সম্পাদিত দৈনিক সাঙ্গু সারা দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়। আমরা চট্টগ্রামে না থাকলেও দৈনিক সাঙ্গুর প্রতিবেদনগুলো নিয়মিত পড়ি। দৈনিক সাম্পানও জনপ্রিয় হবে, এটি আশা করি।”

 

জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক খ ম জাহাঙ্গীর আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ভালোবাসার টানে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে এসেছি। চট্টগ্রামে আমাদের আলাদা ভালোবাসা রয়েছে। কবির ছিদ্দিকী আমাদের ভালোবাসার একজন মানুষ।”

দৈনিক সাঙ্গু ও দৈনিক সাম্পান সম্পাদক কবির হোসেন সিদ্দিকী বলেন, “অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করেন, কেন এতগুলো পেপার বের করছি। এর কারণ হলো, আমি ব্যবসা করতে পারি না, বুঝি না। সাংবাদিকতা আমার পেশা ও নেশা। সাংবাদিকতার বাইরে কিছু করার কথা আমার মাথায় আসে না।”

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, দৈনিক সাঙ্গুর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কামরুল ইসলাম, মোহাম্মদ নুর উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মঈন উদ্দিন মিলন, দৈনিক সাঙ্গু মার্কেটিং অফিসার এরশাদ হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার জাহেদু ইসলাম এবং ফটো সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম।

দৈনিক সাঙ্গুর পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে বিশেষ অবদান রাখায় কৃতি সংগীত শিল্পীদের সম্মান স্মারক প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের সংগীত পরিচালক, গীতিকার ও সুরকার দীলিপ ভারতী, আঞ্চলিক গানের রানী গীতা আচার্য্য, বেতার ও টিভি শিল্পী মৌ চৌধুরী, শিল্পী ও সংগীত পরিচালক সুকুমার দে, সিনিয়র সংগীত শিল্পী ফরিদুল ইসলাম, চন্দনা চক্রবর্ত্তী, জিলাল উদ্দিন, লূপর্ণা মূৎর্সদ্দি লোপা, রুপনা দাশ, বেবী দাশ মজুমদার, নুপূর, লক্ষী দত্ত রায়, সালাউদ্দিন কাদের মানিক, সুস্মীতা চৌধুরী, শাহীন রহমান, জুয়েল দ্বীপ, মৌ মনি, যন্ত্র শিল্পী শ্যামল দত্ত রায়, নাট্যকার সজল দাশ, সংস্কৃতি কর্মী মোস্তফা কামাল এবং মাসুদা রেক্সমা।

 

এটি ছিল একটি বিশেষ অনুষ্ঠান, যেখানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখা শিল্পীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 



সম্পর্কিত খবর