চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বাঁশখালী পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ্ব কামরুল ইসলাম হোসাইনী বলেছেন, ছাত্র জনতার আন্দোলন ও আত্মত্যাগ না হলে আওয়ামী জালিমের পতন হতো না। আর এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সব সময় সাহস জুগিয়েছেন, ভিডিও বার্তা দিয়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করেছিলেন দেশ নায়ক তারেক রহমান।
তিনি বলেন, বিগত ১৭ বছর বিএনপি এবং জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তিকে জুলুম অত্যাচার করে দমিয়ে রাখা হয়েছিল। কোন বিএনপি নেতাকর্মীকে শান্তিতে বাড়িতে থাকতে দেয়নাই। আজ আমাদের গ্রুপিংয়ের সুযোগে অনেক আওয়ামী দোষর বিএনপিতে ঢুকে পড়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, বিএনপি জনগনের সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসবে। কোন আওয়ামী দোষরকে বিএনপিতে নিয়ে শক্তি বাড়ানোর দরকার নেই।
গত শনিবার (৩০ নভেম্বর) রাতে বাঁশখালী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডস্থ গুরা পুকুর পাড় এলাকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিশাল গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কামরুল ইসলাম হোসাইনী উপরোক্ত কথা বলেন।
পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণ সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন, বাঁশখালী পৌরসভা যুবদলের সাবেক সভাপতি দক্ষিণ জেলা শ্রমিক।দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসাইন আজগর, আলহাজ্ব শফিউল আলম জামাল ও প্রবাসী নেতা আবদুল লতিফ।
সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, যুবদল নেতা আনিসুল হক মিটু, ডাক্তার মৃনাল তালুকদার, ডাক্তার নির্মল কারণ, ফরিদুল আলম, পৌরসভা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এটিএম কফিল উদ্দিন, সাবেক ছাত্রনেতা জিয়াউল হোসাইন হোসাইনী, মোহাম্মদ শোয়াইব, এনএম নাছির উদ্দীন, ওসমান গণি মুজাহিদ, মাওলানা মনজুর আহমদ, ইয়াছিন, নুর মোহাম্মদ, নাছির উদ্দীন, বেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, শফি আলম, মোহসেন, আনোয়ার, মরতুজা আলী প্রমুখ।
সমাবেশে কামরুল ইসলাম হোসাইনী আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতার বাইরে থাকলেও আমি শত বাঁধা বিপত্তির মাঝেও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে উপস্থিত থাকতাম। কেউ মারা গেলে খবর পেলে জানাজায় উপস্থিত হতাম। এই সামাজিক অনুষ্ঠানে অনেক সময় আওয়ামী লীগের লোকজন পাশাপাশি দাড়াত। এই ছবিগুলো দিয়ে আমাকে আওয়ামী লীগ বানানোর অপচেষ্টা ও অপপ্রচার হচ্ছে। এসবে কান না দিতে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানান।
গণসমাবেশে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশ গ্রহণ করেন।