খাগড়াছড়ির মাটিরাঙায় পারিবারিক কহলের জেড়ে খাদিজা আক্তার বর্ষা (২০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার ( ১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০দিকে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড ভূইয়া পাড়া স্বামীর নিজ বাড়ির শয়নকক্ষ থেকে মৃত্যুদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত খাদিজা আক্তার বর্ষা মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার শংকরদি গ্রামের বাসিন্দা শুটকী ব্যবসায়ী ইসরাফিল বেপারীর মেয়ে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত এক বছর আগে
ভূইয়াপাড়ার স্হানীয় প্রবাসি আবু জাহেরের ছেলে
শাহাদাত হোসেন ও মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার বাসিন্দা ইসরাফিলের মেয়ে খাদিজা আক্তার বর্ষার সাথে ফেইসবুকে যোগাযোগের মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারের অজান্তেই দু'জনে গোপনে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। জানাজানি হলে পরে উভয় পরিবার তাদের মেনে নেয়। তবে
ছেলে বেকারত্বের বিষয় নিয়ে প্রায় ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো পরিবারে। স্বামী ও শাশুড়ী সাথে পারিবারিক কলহের কারনে গলায় ফাঁস দিয়েছেন এমনটাই জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। পরে থানায় খবর দিলে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি থানায় নিয়ে যায়।
শাহাদাত হোসেনের বোন ফৈরদৌস আরা সুরাইয়া বলেন,আমি পাশের রুমেই থাকি। প্রতিদিন ভোরে সে নাস্তা বানাতো। ভোরে তাকে না দেখে সকাল সাড়ে আটটার দিকে আমি ডাকতে যাই। দরজায় ধাক্কা দিতেই দেখি ফ্যানের সাথে ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঝুলে রয়েছে। সে ভাইকে সন্দেহ করত। বলতো অন্য মেয়ের সাথে নাকি সম্পর্ক রয়েছে। তাছাড়া বেকার থাকায় বিভিন্ন বিষয়ে প্রায়ই কথা-কাটাকাটি হতো স্বামী -স্ত্রীর মাঝে। রাগারাগি করে ভাই কুমিল্লায় চলে যায়। এদিকে মায়ের সাথেও খুটিনাটি বিষয় নিয়ে রাগারাগি হতো তাই মন খারাপ থাকতো বলে জানান তিনি।
মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ তৌফিকুল ইসলাম তৌফিক দৈনিক বায়ান্ন'কে বলেন,খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য আধুনিক জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এবং নিহতের ব্যবহারিত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে পুলিশ।ফরেনসিক টেষ্ট রিপোর্টে পর বিস্তারিত বলা যাবে।