দেশের খবর

লোহাগাড়ায় যুবদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ এনসিপি নেতা জহিরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মো. ফারুক নামে এক যুবদল নেতাকে অপহরণ করে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন ও ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টার ঘটনায় এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মো. জহির উদ্দীনসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। 
 
গত শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর)  রাতে ভুক্তভোগী  যুবদল নেতা ফারুকের  ছোট বোন সেলিনা আক্তার (৩৮) বাদী হয়ে লোহাগাড়া থানায় মামলাটি  করেন।
 
মামলার অন্য আসামীরা হলেন- উপজেলার সদর ইউনিয়নের রশিদারপাড়া এলাকার নুরুল হকের পুত্র আরিয়ান হাসান (৩০), নুরুল ইসলামের পুত্র আরিফুল্লাহ (৩৫), কাজীর পুকুর পাড় এলাকার ফরিদুল ইসলামের পুত্র মো. খালেদ (৪৩), মো. ইউনুসের পুত্র টুটুল আজম (৪৫), কলাউজান ইউনিয়নের পশ্চিম কলাউজান এলাকার নাজির হোসেনের পুত্র তৌহিদুল ইসলাম আরাফাত (৩২), বড়হাতিয়া ইউনিয়নের বেপারি পাড়া এলাকার আহমদ কবির আমিনের পুত্র মো. মহিউদ্দীন (৪৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭/৮ জন।
 
 
মামলার এজাহার  সূত্র জনা যায় , গত ৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২ টার দিকে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়ন যুবদল নেতা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন (৪৩) তার পিতাকে লোহাগাড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালের নিচ থেকে এন‌সিপির নেতা জহিরসহ বেশ কয়েকজন তাকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে অপহরণ করে একটি বাসায় নিয়ে গিয়ে হত্যাচেষ্টা চালায় এবং পরবর্তীতে জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী সাজিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করে। 
 
বিষয়টি ফারুকের পরিবার জানতে পারলে তার বোনের স্বামী মো. ইসমাইল হোসেন লামা থানাকে মৌখিকভাবে অভিযোগ দিলে লোহাগাড়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় একটি বাসা থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।
 
অভিযুক্ত লোহাগাড়া উপজেলা এন‌সিপির প্রধান সমন্বয়কারী মো. জহির উদ্দীন বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি কোনভাবে সম্পৃক্ত নই।
 
’বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লোহাগাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার জাহেদ হোসেন। তিনি বলেন , ‘যুবদল নেতাকে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার দায়ে একটি মামলা হয়েছে। তদন্তপূর্বক পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’


সম্পর্কিত খবর