বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যাহ বুলু বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধে শেখ হাসিনার পরিবারের একজন সদস্যও সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেয়নি। যদি প্রমাণিত হয়, আমি রাজনীতি ছাড়ব।
তিনি আরও বলেন, তখন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আরাম আয়াসে ছিলেন। এই দেশের কৃষক, শ্রমিক, জনতা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে এবং তারা সার্টিফিকেট পর্যন্ত পায়নি। শেখ মুজিব পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ করে জামাই আদরে ছিলেন। আর শেখ হাসিনা এই দেশের অনেক মানুষকে হত্যা ও স্টিম রোলার চালিয়ে ২৭ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন। তাকে যদি ৩১ বার ফাঁসি দেওয়া হয়, তার অপরাধ শেষ হবে না।
শুক্রবার বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলা ও পৌর শাখার দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চান্দিনা ডা. ফিরোজা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গনে এটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরকত উল্যাহ বুলু আরও বলেন, আপনারা সৎ মানুষকে নির্বাচন করবেন। কারণ, চান্দিনা ধানের শীষ ও বিএনপির ঘাঁটি।
দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সেলিম ভূইয়া।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, কুমিল্লা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী, এ বি এম সিরাজুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম, সাবেক মেয়র শাহ মো. আলমগীর খান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আক্তারুজ্জামান সরকার। সঞ্চালনায় ছিলেন সাবেক মেয়র শাহ মো. আলমগীর খান।
পরে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন আতিকুল আলম শাওন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন কাজী মো. আরশাদ উল্লাহ এবং পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন এ বি এম সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হন সাবেক মেয়র মো. আলমগীর খান।
বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত শেষে দ্বি-বার্ষিক কাউন্সিল সমাপ্ত হয়।
বায়ান্ন/প্রতিনিধি/একে