পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রণাধীন দেবীগঞ্জ প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের শ্রমিকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে।
১৯ জুন বৃহস্পতিবার অফিস চত্বরের সামনে সাধারন শ্রমিকরা এ মানববন্ধন করে। ৯২ জন অনিয়মিত শ্রমিক থেকে, ৫৬ জন শ্রমিক বৈষম্যের শিকার ও পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে উৎসব বোনাস থেকে বঞ্চিতের কারণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা বক্তব্যে বলেন, যদি ৩৬ জন শ্রমিক ঈদ বোনাস পায় তাহলে আমরা ৫৬ জন শ্রমিক কেনো বৈষম্যের শিকার ও উৎসব বোনাস থেকে বঞ্চিত হবো। তারা আরো বলেন, ৯২ জনের মধ্য থেকে আমরা ৫৬ জন ঈদ বোনাস পাইনি এবং আমাদের কাজ কর্মস্থল থেকে বঞ্চিত আছি। বোনাস পাওয়া ৩৬ জন শ্রমিক থেকে ১৩ জন শ্রমিকেরা কর্মস্থলে আছেন। শ্রমিকরা বলেন আমাদের দাবি যদি মেনে না নেওয়া হয় তাহলে সামনে আমরা অফিসের সামনে ঈদ বোনাসের বঞ্চিত সব শ্রমিকরা অনশনে নামবো। অন্যান্য শ্রমিকরাও কঠিন হুশিয়ারি দেন।
মানববন্ধন প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন ৯২ জন শ্রমিকদের মধ্য থেকে ৩৬ জন ঈদ বোনাস পেয়েছে। যারা পায়নি তাদের বিষয়ে কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি কোন ব্যবস্থা দেয়নি।
শ্রমিকদের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন জানান আসলে ঈদ উপলক্ষে দেশের সরকারি, বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা ঈদ বোনাস পেয়ে থাকেন। আমাদের এখানে ৯২ জন শ্রমিক রয়েছে তাদের মধ্য থেকে ৩৬ জন ঈদ বোনাস পেয়েছে। বাকিরা কেনো বোনাস পায়নি এ বিষয়ে আমি বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অমল দাসের সঙ্গে কথা বলছি তার কাছ থেকে সঠিক ভালো কোন উত্তর পাইনি।
এ বিষয়ে প্রজনন বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. অমল কুমার দাস জানান, অনিয়মিত শ্রমিক আছে তার মধ্য ৩৬ জন তারা সিনিয়র এগুলো শ্রমিক অনেক আগে অনিয়মিত হয়েছে আর যে ৫৬ জন শ্রমিক আছে তারা সবে মাত্র ১ বছর হয়েছে অনিয়মিত হওয়ার।
তিনি আরো জানান, আমাদের বোনাসের যে বাজেট আসছিল ১৫ হাজার করে ৩৬ জন কে প্রদান করা হয়েছে । এছাড়া বলেন বাকি ৫৬ জন ঈদ বোনাস পাইনি এরা এ বছর আর পাবে না, তাদের বিষয়ে আগামী বছর দেখা যাবে। অমল কুমার দাস বলেন এগুলো বাজেট মূলত শ্রমিক নেতারা যোগাযোগ করে নিয়ে আসছে।