দেশের খবর

নবীনগরে সকল পূজামন্ডপে থাকবে সিসি ক্যামেরা

 
 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে পূজার শেষ মুহূর্তে মৃৎশিল্পীর তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে দুর্গা প্রতিমার পরিপূর্ণরূপ। মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে সাজসজ্জার কাজ। দম ফেলার সময় নেই মৃৎশিল্পীদের। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।
এবার উপজেলায় ১২৯টি পূজামণ্ডপ, এর মধ্যে পৌর এলাকায় ৩৩টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গাপূজা। 
এ বছর প্রতিটি পূজামণ্ডপ থাকবে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায়। পূজার্থী ও মণ্ডপের নিরাপত্তায় থাকবে ২ জন পুলিশ এবং ৬ থেকে ৮ জন আনসার। ঝুঁকিপূর্ণ পূজামণ্ডপে রাখা হবে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প, থাকবে সেনা, বিজিপি ও র‍্যাবের টহল। সক্রিয় থাকবে গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক অ্যাডভোকেট বিনয় চক্রবর্তী জানায়- "পূজামণ্ডপে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় পুলিশ প্রশাসনের সাথে কাজ করবে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পূজা মণ্ডপগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা আশাবাদী সকলের অংশগ্রহণে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন হবে"। উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনকে সাথে আমরা কাজ করছি। 
শারদীয় দুর্গোৎসবের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব চৌধুরী বলেন- "প্রতিটি মণ্ডপের শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী স্বেচ্ছাসেবকদের দেয়া হবে  ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র, প্রতিমা বিসর্জন শেষ না হওয়া পর্যন্ত র‍্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিপির টহল থাকবে। নজরদারিতে সক্রিয় থাকবে অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন"।
 


সম্পর্কিত খবর