শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢালিউডের ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহর ৫৫তম জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে সিলেটের জকিগঞ্জে জন্ম নিয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার এই স্বপ্নের নায়ক।
সালমান শাহর জীবন থেমে গেছে ২৫ বছর বয়সেই। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর না ফেরার দেশে চলে যান সালমান শাহ। কিন্তু তিন দশক পেরিয়েও দর্শকের হৃদয়ে তাঁর জায়গাটি যেন আগের মতোই অটুট। সময় বদলেছে, চলচ্চিত্র বদলেছে, নতুন নতুন নায়ক এসেছেন।
কিন্তু সালমান শাহর জনপ্রিয়তায় যেন এতটুকুও ভাটা পড়েনি।
মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। প্রথম ছবি ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়েই দর্শকের মনে যে জায়গা করে নিয়েছিলেন, তা আর কখনো মুছে যায়নি। অল্প সময়েই তিনি হয়ে উঠেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের এমন এক তারকা, যার প্রভাব তাঁর মৃত্যুর পরও প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে।
সালমান শাহর পর চলচ্চিত্রে নায়ক হতে আসা অনেকেই তাঁকে নিজেদের অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পর্দায় তাঁর অভিনয়, পোশাক, চুলের স্টাইল কিংবা ব্যক্তিত্ব, সবকিছুই একসময় তরুণদের কাছে হয়ে উঠেছিল অনুসরণীয়। তাই সালমান শাহ শুধু একজন জনপ্রিয় নায়ক নন, তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকের কাছে আজও এক আবেগের নাম।
ছোট্ট জীবনে চার বছরের চলচ্চিত্রযাত্রা, অথচ সেই অল্প সময়েই এমন ছাপ রেখে গেছেন, যা তিন দশক পরও মুছে যায়নি। এটাই হয়তো সালমান শাহর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
অনেকে মনে করেন, অল্প সময়ের জন্য এসেছিলেন বলেই এত দ্যুতি ছড়াতে পেরেছিলেন সালমান, সবার মনে কেটে গেছেন দাগ। যে দাগ তার প্রস্থানের টানা এতো বছর পরেও সমুজ্জ্বল। তার অনুপস্থিতি আর অকাল প্রস্থান আজও পোড়াচ্ছে অগুনতি বাঙালির মন।
তাকে বলা হয় ৯০ দশকের শ্রেষ্ঠ নায়ক। টেলিভিশনেও তার অভিনীত বেশ কিছু নাটক জনপ্রিয়তা পায়। তার জন্ম কিংবা মৃত্যু দিনে শুধু নয়, সারা বছরেই তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব থাকতে দেখা যায় ভক্ত অনুরাগীদের।