লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি পদ থেকে এনামুল হককে অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলার পদুয়া তেওয়ারী হাট বাজারে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী এ কর্মসূচি পালন করেন।
লোহাগাড়া উপজেলা গনতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি শাহজাদা মিয়ার সভাপতিত্বে ও পদুয়া ইউনিয়ন এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- পদুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোবারক আহমদ বাবু, পদুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ আলমগীর, পদুয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক মোহাম্মদ সোহেল, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সেচ্ছসেবক দলের সদস্য এহেসান আবদুল্লাহ, লোহাগাড়া উপজেলা সেচ্ছসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক শাকিল মোহাম্মদ নয়ন, পদুয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খোরশেদ আলম সিকদার, পদুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আমানুল হক, পদুয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ জাবেদ, মোহাম্মদ শফি, মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ সেলিম, আবুল হাশেম, উপজেলা গনতান্ত্রিক সেচ্ছসেবক দলের সভাপতি শাহ আলম ও পদুয়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ শামসুল আলম প্রমূখ।
বক্তারা অভিযোগ তুলে বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোটকেন্দ্র দখলকারী হিসেবে পরিচিত এনামুল হককে ২১ আগস্ট বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি করা হয়। তিনি পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন এবং টেকনাফের সাবেক এমপি আবদুর রহমান বদি, আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, এমএ মোতালেব, কক্সবাজারের সাবেক এমপি ছরওয়ার কমলসহ বিভিন্ন নেতার সঙ্গে মেলামেশা করতেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের সঙ্গে তার তোলা একাধিক ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। তারা আরো বলেন, এনামুল হকের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন লিখিত অভিযোগ করেছেন। মানববন্ধনে বক্তারা দ্রুত এনামুল হককে সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করে বিদ্যালয়ের পরিবেশ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, এনামুল হক আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতার দোসর হয়ে কেন্দ্র দখলসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। তাকে সভাপতি করা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী এবং জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হকের সাথে যোগ যোগ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।