রাজনীতি

সংরক্ষিত আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। স্পিকার তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন। একই সঙ্গে সংরক্ষিত আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংসদ সচিবালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ-সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ (১ অক্টোবর) পদত্যাগ করায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৩২৩ মহিলা আসন-২৩ আসনটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত তারিখে শূন্য হয়েছে। এর আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে গিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মিষ্টির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। পরে  মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এদিকে : জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য রেফারেন্স হিসেবে নিয়ে বাস্তবতা বুঝে ভোট আয়োজন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য যেখানে যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তাই নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) ইসি সচিব আখতার আহমেদ ইউনেস্কোর সঙ্গে বৈঠক শেষে নির্বাচন ভবনে এসব কথা বলেন।

 

 স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলেছেন, আপনারা কী ভাবছেন-এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, এখনো পর্যন্ত কমিশন এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। আপনারা জানেন যে ১৭ সেপ্টেম্বর একটা আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়েছিল। সেখানে বিভিন্ন ধরনের মতামত দেওয়া হয়েছে। সময়সূচির ব্যাপারেও আলোচনা করা হয়েছে এবং আমাদের যে সম্মানিত সহকর্মীরা আছেন, তারা বিভিন্ন প্রস্তাবনা দিয়েছেন। কাজেই ওই প্রস্তাবনার ওপর তো আমার মনে হয় না যে আমরা একটা কনক্লুসিভ সিদ্ধান্তে যেতেই পারি। তিনি আরও বলেন, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম যেটা বলেছেন, জানুয়ারি থেকে জুনের কথা বলেছেন, ভালো একটা রেফারেন্স তো পাওয়াই গেল। তাহলে রেফারেন্স পাওয়া গেলে সেভাবে আমরা হয়তো বাকি কাজগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাব। যেহেতু আজকে কথা বলছেন, ইটস টু আর্লি ফর মি টু কমেন্ট। বাট আমার মনে হয় যে এটা কমিশনে আমি জানাবো, আপনাদের রেফারেন্সেই জানাবো।

 

 

 

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনীর মোতায়েনের ব্যাপারটা, এটা তো ভবিষ্যতের ব্যাপার। যেকোনো একটা নির্বাচন ব্যবস্থাপনার একটা সুস্থতা, সুষ্ঠুতা সবাই চায়। এটা যেকোনো প্রেক্ষাপটে সবাই চাইবেই। এটাই তো কথা। আমরা ১২ ফেব্রুয়ারি একটা ভালো সংসদ নির্বাচন করেছি। ওইটাই তো আমাদের প্রত্যাশা দাঁড়িয়েছে, তাহলে আমরা কি প্রত্যাশার জায়গাটা ওখান থেকে আরও ওপরে নেব, নাকি নিচে যাবে? আমরা অবশ্যই ওপরে নেব। তিনি বলেন, যেকোনো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এখন যেকোনো ধরনের তো অনেক ব্যাপ্তি। আমি বলছি যে প্রয়োজনীয়, যেটা যেখানে দরকার, সেটা সেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাটা নেওয়া হবে। ভোটের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি বলেন, প্রস্তুতির সংজ্ঞাটা কী? প্রস্তুতির উপাত্তগুলো কী কী? ভোটার তালিকা আছে। ভোটার তালিকা আছে, ভোটের জন্য উপকরণ আছে, ভোটকেন্দ্রও আছে। এখন আমাদেরকে স্থানীয় বাস্তবতাগুলোকে বুঝে নিতে হবে। স্থানীয় বাস্তবতাগুলো কী? এসএসসি পরীক্ষা, রোজা, আপনার বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, জাতীয় কতগুলো প্রোগ্রাম থাকে সেগুলান, ইত্যাদি ইত্যাদি। এগুলো নিয়ে আমরা একটা সুষ্ঠু সমাধানে আসব। 

 



সম্পর্কিত খবর