গত বছরের ৫ই আগষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেলে দেশে অন্তবর্তীকালীন সরকারের শপথ নেয় ড. ইউনুস। অন্তবর্তীকালীন এ সরকারের তথ্যমতে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারীর প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ।
সে অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও জেলার ১, ২ ও ৩ আসনের রাজনীতির মাঠে এখন বিএনপি, জামায়াত, গণ অধিকার পরিষদ সহ অন্যান্য দলগুলিও বেশ সক্রিয়। দল গুলি সংগঠনকে গোছানোর পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের মাঠও গোছাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী আসনে এখন বেশ সক্রিয়। সুযোগ পেলেই জনসংযোগের পাশাপাশি যোগ দিচ্ছেন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে। বার্তা দিচ্ছেন ঐক্য আর শান্তির। আবার কেউ কেউ দিয়ে যাচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও।
আওয়ামী লীগের ঘাঁটি নামে পরিচিত ঠাকুরগাঁও ৩ আসন । গণ অধিকার পরিষদের জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সোবহান এই আসনে নির্বাচন করতে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। মিছিল, শোডাউন ও পোস্টারিং করে নিজেকে জানান দিচ্ছেন। এই আসনে সংসদ নির্বাচনে লড়বেন হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন। দলের বর্ষীয়ান নেতা মিজানুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
গণ অধিকার পরিষদের ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সোবহান এর জন্ম ১৯৭৮ সালের ৩০ জুন । বাবা মৃত বদির উদ্দিন ছিলেন একজন সাধারণ কৃষক। ১০ ভাই বোনের মধ্যে সর্ব কনিষ্ট আব্দুস সোবহান ছোটবেলা থেকেই ছিলেন শিক্ষানুরাগী। কষ্ট করে লেখাপড়া করে নিজেই হয়েছেন শিক্ষক। দেড় যুগ ধরে রয়েছেন এ পেশায়। গড়েছেন হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত।
অধ্যাপক আব্দুস সোবহান বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে তরুণনির্ভর বাংলাদেশ। জনগণও চায় তরুণদের হাতে থাকুক আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব। তাই জনগণের আকাঙ্খা একধাপ এগিয়ে নিতে নির্বাচন করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাকে সহযোগিতা করছে একঝাঁক শিক্ষিত তরুণ ও আমার ছাত্রছাত্রীরা। আশা করি তরুণদের সময় সামনে আসছে। তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলে সবার আগে সমাজ থেকে বৈষম্য দূর হবে। তাই সবাইকে আহ্বান করবো বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের হাত শক্তিশালী করুন।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-৩ আসন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ সংসদের পঞ্চম এবং জেলার তৃতীয় সংসদীয় আসন। রাণীশংকৈল ও পীরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত।
নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬০। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৯০ এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৭০। সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৫৭৬। তবে এই আসনে জিততে হলে নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের টানতে হবে প্রার্থীদের।
সে অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও জেলার ১, ২ ও ৩ আসনের রাজনীতির মাঠে এখন বিএনপি, জামায়াত, গণ অধিকার পরিষদ সহ অন্যান্য দলগুলিও বেশ সক্রিয়। দল গুলি সংগঠনকে গোছানোর পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটের মাঠও গোছাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী আসনে এখন বেশ সক্রিয়। সুযোগ পেলেই জনসংযোগের পাশাপাশি যোগ দিচ্ছেন সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে। বার্তা দিচ্ছেন ঐক্য আর শান্তির। আবার কেউ কেউ দিয়ে যাচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও।
আওয়ামী লীগের ঘাঁটি নামে পরিচিত ঠাকুরগাঁও ৩ আসন । গণ অধিকার পরিষদের জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সোবহান এই আসনে নির্বাচন করতে মাঠ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। মিছিল, শোডাউন ও পোস্টারিং করে নিজেকে জানান দিচ্ছেন। এই আসনে সংসদ নির্বাচনে লড়বেন হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপি নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ উদ্দিন। দলের বর্ষীয়ান নেতা মিজানুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
গণ অধিকার পরিষদের ঠাকুরগাঁও জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুস সোবহান এর জন্ম ১৯৭৮ সালের ৩০ জুন । বাবা মৃত বদির উদ্দিন ছিলেন একজন সাধারণ কৃষক। ১০ ভাই বোনের মধ্যে সর্ব কনিষ্ট আব্দুস সোবহান ছোটবেলা থেকেই ছিলেন শিক্ষানুরাগী। কষ্ট করে লেখাপড়া করে নিজেই হয়েছেন শিক্ষক। দেড় যুগ ধরে রয়েছেন এ পেশায়। গড়েছেন হাজারো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত।
অধ্যাপক আব্দুস সোবহান বলেন, আগামীর বাংলাদেশ হবে তরুণনির্ভর বাংলাদেশ। জনগণও চায় তরুণদের হাতে থাকুক আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্ব। তাই জনগণের আকাঙ্খা একধাপ এগিয়ে নিতে নির্বাচন করবো বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাকে সহযোগিতা করছে একঝাঁক শিক্ষিত তরুণ ও আমার ছাত্রছাত্রীরা। আশা করি তরুণদের সময় সামনে আসছে। তরুণদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেলে সবার আগে সমাজ থেকে বৈষম্য দূর হবে। তাই সবাইকে আহ্বান করবো বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের হাত শক্তিশালী করুন।
উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-৩ আসন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত বাংলাদেশ সংসদের পঞ্চম এবং জেলার তৃতীয় সংসদীয় আসন। রাণীশংকৈল ও পীরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে এ আসনটি গঠিত।
নির্বাচন অফিসের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৩৬০। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৯০ এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৭০। সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৫৭৬। তবে এই আসনে জিততে হলে নারী ও সংখ্যালঘু ভোটারদের টানতে হবে প্রার্থীদের।