টপ নিউজ

দায় এড়াতে মধ্যরাতে বিজয়ীদের গেজেট জারি করেছে ইসি

নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিজেদের দায় এড়াতে মধ্যরাতে তড়িঘড়ি করে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ীদের গেজেট জারি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার।

 

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সুজন আয়োজিত ‘নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যগণের হলফনামার তথ্যের বিশ্লেষণ’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

 

সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজনের প্রধান সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। আরও বক্তব্য দেন সংগঠনটির কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ, একরাম হোসেন প্রমুখ।

 

 

নির্বাচিত প্রার্থীদের অনেকেই ঋণখেলাপি উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘তাঁদের কেউ কেউ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়েছেন। অনেকে দ্বৈত নাগরিক হওয়ার পরও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দিয়ে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। আমরা নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের পক্ষ থেকে সুপারিশ করেছিলাম, যাতে নির্বাচনের ছয় মাস আগেই প্রার্থীরা ঋণ পরিশোধ করেন এবং অভ্যাসগত ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া না হয়। কিন্তু আরপিও অধ্যাদেশে বিষয়টি আমলে নেওয়া হয়নি।’

 

 

বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘এবার নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে মধ্যরাতে গেজেট জারি করেছে। এর মাধ্যমে তারা নিজেদের দায় এড়াতে চেয়েছে। আমরা নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন থেকে সুপারিশ করেছিলাম, যাতে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনটিকে সার্টিফাই করে। কিন্তু আরপিওতে আমাদের সে সুপারিশ রাখা হয়নি।’

 

সুজন সম্পাদক বলেন, ‘আরপিও অনুযায়ী হলফনামার সঙ্গে সর্বশেষ বছরের আয়কর বিবরণী জমা দিতে প্রার্থীরা বাধ্য। কিন্তু অনেক প্রার্থী আয়কর বিবরণী জমা দেননি। আর আয়কর বিবরণী জমা না দেওয়া মানে অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া। আমরা আশা করি, আরপিওর বিধান মেনে নির্বাচন কমিশন হলফনামা নিয়ে ওঠা অভিযোগগুলো তদন্ত করে পদক্ষেপ নেবে।’

 

সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘এবার ১০-১২ ঋণখেলাপি এমপি নির্বাচিত হয়ে গেছেন। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে তাঁরা বেরিয়ে গেছেন। আমরা আশা করি, নির্বাচিত সরকার আইনের এসব ফাঁকফোকর বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

 



সম্পর্কিত খবর