কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির রানা পান্টুর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
তাদের অভিযোগ পান্টু ও ত্র সহযোগী ছ্যান ছরো, উজ্জল, লাল, কাশেম, নান্টু, শামিম, মন্টু, রিপনের হাতে তালবাড়ি ইউনিয়নের চারুলিয়া সহ আশেপাশের এলাকার মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
রবিবার (১৫ জুন) বিকেলে শহরের পাঁচ রাস্তা মোড়ে মানববন্ধনে অংশ নেন তারবাড়িয়া ইউনিয়নের কয়েকশত মানুষ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, তালবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির রানা পান্টু ও তার বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় দখলবাজি চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। মিরপুর- ২ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা যুবলীগের সভাপতি রবিউল ইসলামের ছত্রছায়ায় এলাকার মানুষকেও হুমকি-ধমকি, কৃষি জমি দখল করে মাটি কেটে ভাটাই ব্যবহার, গোরস্থানের জমি দখল, চাঁদাবাজি, সাধারন মানুষকে নির্যাতন সহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলো। তার কঠোর বিচার দাবি জানাচ্ছি।
মানববন্ধনে কারন আলী বলেন, পান্টু ও তার সহযোগীরা এলাকার মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে এমন কোন অপকর্ম নেই তারা করেনি। গোরস্থানের জমি পর্যন্ত তারা দখল করে রেখেছে। যে মানুষ তাদের কথামতন চলে না তাদের বাড়িতে অস্ত্র রেখে পুলিশ দিয়ে নির্যাতন করেছে। থানায় মামলা করতে গেলে থানা মামলা নেয়নি।
তালবাড়ী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ইউপি সদস্য খাদিমুল ইসলাম জানান, স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের ছত্রছায়ায় এলাকাবাসীর ঘুম হারাম করে দিয়ে ছিলো। এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল, তার নিজের ভাটার জন্য কৃষি জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কাটা, তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ থাকতো। আমরা তার কঠিন বিচার দাবি জানাচ্ছি।
স্থানীয় বাসিন্দা রেহানা বেগম বলেন, আমাদের নারীরা রাতে ঘর থেকে বের হতে পারেনা। পান্টু বাহিনী রাতের আঁধারে আমাদের ঘরে ঢুকে ছুরি ধরে ভয় দেখায়। মুখ খুললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।
খোজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে পান্টু মিরপুর থানার মোঃ জালাল উদ্দীন খান, বিপি-৭৫৯৬০৬২৯৮১ সাব ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) বাদি হয়ে মিরপুর থানার নাশকতা ও হত্যার উদ্দেশ্যে একজন কে পিটানোর অভিযোগ এনে এফআইআর নং-৭ মামলা করেন। বর্তমানে পান্টু সেই মামলায় আটক হয়ে হাজতে আছে।