খুলনা

কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে ধরা পড়ছে মাদকসেবী, এক মাসে প্রায় ৩০ জনের কারাদণ্ড: মাদক ব্যবসায়ী আটকে নেই তেমন তৎপরতা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চলতি মাসে ৩০ জনেরও বেশি মাদকসেবীকে ডোপ টেস্টের মাধ্যমে আদালতের মাধ্যমে সাজা দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে মাদক ব্যবসায়ীদের আটকে তেমন কোনো তৎপরতা দেখা যায়নি।

সবশেষ গত মঙ্গলবার পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৫ জন মাদকসেবীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের ডোপ টেস্টের ফলাফল পজিটিভ আসায় আদালতের মাধ্যমে তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জন মাদকসেবীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ডোপ টেস্টের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠালে ফলাফল পজিটিভ আসায় তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮’-এর ৩৬(১)-এর ২১ ধারা অনুযায়ী সাজা প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—উপজেলার ষাটবাড়ীয়া গ্রামের জুয়েল মণ্ডলের (৩৫) এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড; বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের সম্রাট মির্জার (১৯) ১০ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড; মাহিন ইসলাম (২০) ও ইমন মির্জার (২৮) ৭ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং ঈশ্বরবা গ্রামের সম্রাট বিশ্বাসের (২০) ১০ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার পর তাঁদের জেলহাজতে পাঠানো হয়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি জুলফিকার আলী জানান, জেলা পুলিশের নির্দেশনায় মাদকবিরোধী অভিযানে চলতি মাসে প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডোপ টেস্টে পজিটিভদের আদালতে সোপর্দের পর সাজা দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

 


সম্পর্কিত খবর