রাজনীতি

মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের মতো জালে পড়বেন না, ড. ইউনুসের উদ্দেশে জয়নুল আবদিন ফারুক

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদীন ফারুক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আপনাদের দায়িত্ব অনেক। কারো কথা শুনে দ্বায় আপনাদের ঘাড়ে নিবেন না। ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসরদের কে যদি না সরান শুধু আগুন নয় আরো ষড়যন্ত্র, খেলা খেলতে পারে তারা। তাই এদেরকে সরাতে হবে। নির্বাচনের ম্যাপ আপনাকে দিতে হবে। নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া সংস্কার সম্পূর্ণ হবে না। সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্বিত করে মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিনের মত আর একটা জালে যেনো আপনি না পড়েন।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসরদের দেশ বিরোধী চক্রান্তের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন বিদেশে বসে শেখ হাসিনার সাথে চুক্তি করে ২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনে। বিএনপিকে কয়েকটা আসন দেয়। আরও অনেক কথা রয়েছে সব বলব। ডক্টর ইউনুস সাহেব এই কথাগুলো সংসদে বলার জন্য অতি দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করেন।

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, যারা দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। যারা আয়না ঘরে নিয়ে নির্যাতন করেছে। হারুন বিপ্লব যারা ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে থামানোর জন্য হত্যা করেছে তাদেরকে এখনো কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি।

তিনি বলেন, আমরা ২০১৮, ২০২৪, ২০১৪ সালের মতো নির্বাচন চাই না। আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন এমন নির্বাচন চাই যে নির্বাচনে মৃত ব্যক্তিরা ভোট দেবে না। রাতে ভোট হবে না। যার ভোট সে দিবে। পছন্দমত প্রার্থীকে বিজয়ী করবে। এমন নির্বাচন চাই যে নির্বাচনে ১৫২ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবে না।

বর্তমান সরকারকে অনুরোধ জানিয়ে বিরোধীদলের সাবেক এই চীপ হুইপ বলেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হলে। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হলে অনতিবিলম্বে জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা করুন। নির্বাচনের তারিখ ঠিক করুন। নির্বাচন দিন।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল্লাহ আল নাঈমের সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন কৃষকদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মাসুক মিয়া, দপ্তর সম্পাদক ভিপি শফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর আমির হোসেন আমু, কৃষক দলের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কাদের সিদ্দিকী, মৎস্যজীবী দলের ইসমাইল হোসেন সিরাজী, পল্টন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম পাটোয়ারী, মীর মমিনুর রহমান সুজন, মনিরুজ্জামান সাগর, শামসু মাষ্টার, জাকির হোসেন, রমজান আলীসহ আরও অনেকে।

বায়ান্ন/আরএইচ/পিএইচ



সম্পর্কিত খবর