বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার আবাসিক এলাকায় অবস্থিত মারাইংতং পাহাড় বান্দরবানের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই পাহাড়ে দৈনিক শতশত পর্যটক রাত্রি যাপন করেন।
মারাইংতং পাহাড়ের উচ্চতা ১৭৬০ফিট। এই পাহাড়ে অবস্থানের জন্য স্থানীয় ও পর্যটকদের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো বাইক। এছাড়াও কেহ চাইলেই পায়ে হেটেও মারাইংতং পাহাড়ে অবস্থান করতে পারেন। সেক্ষেত্রে একজন স্বাভাবিকভাবে সুস্থ মানুষের ১ঘন্টা ৩০মিনিটের অধিক সময় লেগে যায়। তাই বেশিরভাগ মানুষ বাইকেই যাতায়াত করে থাকেন।
বাইকার সমিতির নির্বাচিত সভাপতি মোঃ আমির হোসেন জানান, তেলের এমন সংকটকালীন মুহুর্তে স্থানীয় ও পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে আমরা আমাদের সেবা অব্যহত রেখেছি দীর্ঘ পাঁচ বছরের পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ায়। নির্ধারিত ভাড়ার অধিক নিতে পারলেও স্থানীয় ও পর্যটকদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে আমাদের ভাড়া নির্ধারিত রেখেছি।
তবে বাইকার সমিতির সেক্রেটারি মোঃ সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, এভাবে যদি তেলের এই সংকট আরো দীর্ঘায়িত হয় তাহলে আমরা সমিতির সকল সদস্যদের যাত্রীসেবা প্রদানের সুবিধার্থে নির্ধারিত ভাড়া বৃদ্ধির ব্যাপারে চিন্তা করছি।
এবং অন্যদিকে বাইকার সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ তারেক জানান, আমরা আমাদের সমিতির কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সমিতির সদস্যদের যেভাবে পরিচালিত করা দরকার সেভাবেই পরিচালনা করার চেষ্টা করছি ও বিশ্বে এক মডেল বাইকার সমিতি হিসেবে পরিচিত লাভের চেষ্টা অব্যহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
স্থানীয়রা জানান, বাইকারদের সুশৃঙ্খল ও স্থানীয় ও পর্যটকেদের যাতায়াত সেবার মান অব্যহত থাকলে আগামীতে মারাইংতং পাহাড়ের নাম বিশ্বে পরিচিতি লাভের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকের আগমন আরো বেশি বৃদ্ধি পাবে। এবং এতে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় ভূমিকা পালন করতে পারে।