ঢাকা

এটিএফ অর্জনের কৌশল শেখাতে গাকৃবিতে শতাধিক শিক্ষকের অংশগ্রহণ

দেশের উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তন ও উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের লক্ষ্যে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গাকৃবি)-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের একাডেমিক ট্রান্সফরমেশন ফান্ড (এটিএফ) উপ-প্রকল্পের প্রস্তাবনা প্রণয়ন’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

 

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি) সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে প্রায় ১০০ জন পিএইচডিধারী শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার আয়োজন করে আইকিউএসি। গবেষণার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপান্তর ত্বরান্বিত করাই ছিল এ প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য।

 

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাকৃবির উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রো-উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সফিউল ইসলাম আফ্রাদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. শরীফ রায়হান।

 

দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর হিট প্রকল্পের উইং ম্যানেজার (গবেষণা সমন্বয় বিশেষজ্ঞ) প্রফেসর ড. মো. মনিনুর রশিদ। তিনি তাঁর উপস্থাপনায় এটিএফ অর্জনের ধাপ, উপ-প্রকল্পের ধরন, কার্যকর প্রস্তাবনা তৈরির কৌশল, রুবরিক্সভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপনার বাস্তব দিকসমূহ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। স্বাগত বক্তব্যে প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী বলেন, গবেষণায় মান ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দক্ষ প্রস্তাবনা লিখনশৈলী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশিক্ষণ আমাদের শিক্ষক- গবেষকদের সক্ষমতা আরও দৃঢ় করবে।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, উচ্চশিক্ষায় টেকসই পরিবর্তন আনতে উদ্ভাবনী গবেষণা ও মানসম্পন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বিকল্প নেই। এটিএফের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গাকৃবিকে শতভাগ গবেষণা নির্ভর, আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা আমাদের লক্ষ্য।

 

প্রশিক্ষণের শেষ পর্বে অনুষ্ঠিত হয় প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর সেশন। অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও জিজ্ঞাসা তুলে ধরেন এবং বিশেষজ্ঞ বক্তা সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পুরো আয়োজন জুড়ে ছিল আন্তরিক অংশগ্রহণ, একাডেমিক উদ্দীপনা এবং ভবিষ্যৎ গবেষণা পরিকল্পনার সুস্পষ্ট রূপরেখা।



সম্পর্কিত খবর