সিলেট সিটি করপোরেশনের নবনির্বাচিত মেযর আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, দীর্ঘ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। সিলেট নগরবাসী অনেক আশা আকংখা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নৌকাকে ভোট দিয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী করেছেন। তারা পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য নৌকাকে বেছে নিয়েছেন। প্রচারনায় আমরা তাদের এ প্রতিশ্রæতিই দিয়েছিলাম।
তিনি রবিবার (২৫ জুন) বিকেলে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, সিলেটবাসী গত ১০ বছর ধরে কাংখিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। প্রধানমন্ত্রী ঠিকই বরাদ্দ দিয়েছেন। কিন্তু তার সদ্ব্যাবহার হয়নি। এখন সময় এসেছে সিলেট নগরবাসীর স্বপ্ন বাস্তবায়নের। জলাবদ্ধতা, মশার উপদ্রব থেকে মুক্তি চান তারা। এ লক্ষ্যে পরিকল্পনা করে এগুতে চাই আমি।
তিনি বলেন, ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিযা শুরু হতে এখনো কয়েক মাস দেরি হবে। তবে আমি থেমে থাকবোনা। এ কয়েক মাস আমি সবার মতামত নিয়ে পরিকল্পনা প্রস্তুত করবো। তারপর কাজ। তিনি আবারও দলমত নির্বিশেষে সিলেটের সর্বস্থরের জনগনের সার্বিক সহযোগীতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এর আগে দুপুরের দিকে তিনি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত করেন।সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে সিলেট নগরবাসীর আশা আকাংখা বাস্তবায়নে পরিকল্পনা প্রনয়ন ও কাজ শুরুর পরামর্শ দিয়েছেন।
উপস্থিত ছিলেন- অলইরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট রঞ্জিত সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোবশ্বীর, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য আতিকুর রহমান সুহেদ, মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি, সাধারণ সম্পাদক মুসফিক জায়গীরদার,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আফসর আজিজ, সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন কয়েস, মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আফতাব হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক দেবাশু দাস মিঠু, কাউন্সিলার জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর তাঁতী লীগের সভাপতি নোমান আহমদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ আবুল হাসনাত বুলবুল, সুজন দেবনাথ, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি নাইম আহমেদ, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজ, কাউন্সিলার রুহেল আহমদ।