ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লিমিটেডের ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার চিলারং এলাকার আখচাষি ফয়েজ উদ্দিনের জমিতে আখ রোপণ করে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে সুগার মিল কর্তৃপক্ষ।
রাজশাহী সুগার মিল থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে মিলের ২০২৬-২৭ মৌসুমের আখ রোপণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্যশিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামছুজ্জামান সুরুজ।
চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে এ সময় একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঠাকুরগাঁও সুগার মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ বিএসএফআইসি’র টেকনিক্যাল সার্ভিসেস (টিএস) প্রধান কৃষিবিদ মঞ্জুরুল হক।
এ সময় চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) আবু রায়হান, উপমহাব্যবস্থাপক (সম্প্রসারণ ও ঋণ) মো. তাজুরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপক (পরিবেশ প্রকৌশল) হাসনাত হাবিব, কেন্দ্রীয় আখচাষি সমিতির উপদেষ্টা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ মো. ইউনুস আলী, বাংলাদেশ চিনি শিল্প করপোরেশন শ্রমিক-কর্মচারী ফেডারেশন ও ঠাচিক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, ঠাচিক শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ খাঁন রতন, আখচাষি সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদসহ স্থানীয় আখচাষিরা উপস্থিত ছিলেন।
মিলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) আবু রায়হান জানান, একসময় আখ চাষ থেকে কৃষকরা মুখ ফিরিয়ে নিলেও ভালো দামের কারণে আবার তাঁরা আশাব্যঞ্জকভাবে আখচাষে ঝুঁকছেন। দিন দিন আখ রোপণের পরিমাণও বাড়ছে। মিল জোন এলাকায় এবার আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার একর জমি। আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ মেট্রিক টন, চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬ হাজার ৩০০ মেট্রিক টন ও চিনি আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৩০ শতাংশ।
মিলগেটে ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুমে প্রতি কুইন্টাল আখের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২৫ টাকা। আর মণপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬০ টাকা।
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবীর বলেন, মিল জোন এলাকায় একযোগে ৫৭টি কেন্দ্রের ৯৬টি ইউনিটে আখ রোপণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমরা গত বছর সব দিক বিবেচনায় চালুকৃত মিলগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলাম। আশা করছি এ বছর আমরা আরও ভালো করব।