জাতীয়

ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণে দুই ছাত্রীসহ ৩ জন আহত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় রোকেয়া হলের ২ জন আবাসিক ছাত্রীসহ ৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

 

বুধবার রাত ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে জুলাই প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন চলাকালে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

 

এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছেন রোকেয়া হল সংসদের জিএস সিনথিয়া মেহরিন সকাল।

 

তিনি ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য উল্লেখ করে বলেন, “মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে না পারলে কেন তাদেরকে আপনারা কর্মসূচিতে ডাকেন। আমাদের রোকেয়া হলের দুজন মেয়ে ইনজুরড হয়েছে। এই দায়ভার কে নেবে?”

 

এ বিষয়ে ঢাবি প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ বলেন, “এক শিক্ষার্থীর পিঠে আঘাত লেগেছে, বিকট শব্দে আরেকজনের কানে সমস্যা দেখা দিয়েছে। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।”

 

বিস্ফোরণের সময় ওই সড়ক দিয়ে যাওয়ার পথে ককটেলের আঘাতে আহত হন মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম চাকলাদার।

 

তিনি বলেন, “অফিস থেকে ফেরার পথে টিএসসি সংলগ্ন এলাকায় একটি ককটেল আমার গায়ে লাগে। পিঠে আঘাত পেয়েছি।”

 

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল উদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ককটেল জাতীয় বিস্ফোরক হতে পারে। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞরা ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান নিশ্চিত করবেন।”

 

তিনি আরও বলেন, “আলামত দেখে মনে হচ্ছে অল্প গানপাউডার বা এ ধরনের কোনো উপাদান দিয়ে তৈরি ককটেল ছিল।”

 

আরেক ঘটনায় নিউজ টোয়েন্টিফোরের মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক নাজমুস সাকিবের মোটরসাইকেলের কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। এতে তার মোটরসাইকেলের ফুয়েল ট্যাংক ফেটে যায়।

 

ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী চা বিক্রেতা আব্দুল মান্নান গাজী জানান, রাস্তার বিপরীত দিকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর থেকে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়।

 

অন্য প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উদ্যানের ভেতর থেকে দুটি ককটেল ছোড়া হয়েছিল। বিস্ফোরণের পরপরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ।



সম্পর্কিত খবর