শহরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া উজানে রুমা ও থানচি উপজেলায় ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার কারণে সাঙ্গু নদীর পানি দ্রুত গতিতে বাড়তে শুরু করেছে। পাহাড় ধস মোকাবিলায় সংবাদ সংগ্রহ ও প্রেরণের জন্য জেলা প্রশাসন একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খুলেছে। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকলে রাতের মধ্যেই শহরের আরও বেশ কয়েকটি এলাকা পানিতে তলিয়ে যাবে। নিম্নচাপের প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণে বান্দরবানে একাধিক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।

জেলা সদরের আর্মীপাড়া, শেরেবাংলা নগর, ইসলামপুর, ওয়াবদ্রা এলাকাসহ আশপাশের নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় পানি জমেছে এবং অনেক ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। পৌর এলাকার পানি নিষ্কাশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় দুই দিনের বৃষ্টিতেই শহরের নিম্নাঞ্চল জলাবদ্ধতায় তলিয়ে গেছে। বান্দরবান পৌরসভা উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে বান্দরবান মেস্কিজিরির ড্রেন নির্মাণ কাজ অর্ধেক বাস্তবায়ন হওয়ার পরেও কোটি কোটি টাকার কাজ করে থাকলেও এই ড্রেনের বিষয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও বান্দরবান পৌরসভা উন্নয়ন বোর্ড বান্দরবানে যেই ড্রেনগুলো করার দরকার নেই সেগুলো বাস্তবায়ন করছে। শুধুমাত্র মেম্বারপাড়ার ড্রেনটি নির্মাণ না করার কারণে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ কষ্ট পায়। নিচু এলাকার ওয়াবদা ব্রিজ, শেরেবাংলা নগর, আর্মীপাড়ার মানুষকে প্রতি বছর এই বন্যার কবলে পড়তে হয়।