নড়াইলে মাদ্রাসাছাত্র ধর্ষণ মামলায় শিক্ষক মেরাজ আলী মিরাজকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মিরাজ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়া বকরী রুদ্রপুর গ্রামের আমানুল্লাহ হকের ছেলে।
সোমবার দুপুরে নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পাবলিক প্রসেকিউটর) আজিবুর রহমান আজিজ।
রায় ঘোষণার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মিরাজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাঁকে বিমর্ষ দেখা যায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই ভোররাতে নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর-বাদামতলা জামিয়া রহমানিয়া তাইসিরুল উলুম মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকার করেন ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক মিরাজ।
এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই মিরাজকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা করেন। মামলায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক মিরাজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা করেন।