খবর প্রতিদিন

পাখি মেম্বারকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন ৩৩ নং ওয়ার্ডের নাগরিকরা

ওলিকুল শিরোমনি হযরত শাহজালাল (র) এর অন্যতম সঙ্গী হযরত শাহপরাণ (র.) এর মাজার সিলেট শহরতলির ৩৩ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। হযরত শাহপরাণ (র.) এর নামের মর্যাদায় ওই এলাকার নামকরণ হয়েছে শাহপরাণ এলাকা। এলাকার সুনাম মর্যাদাসহ ঐতিহ্য শত শত বছর ধরে অ¤øান রয়েছে ওলির কারণে। এবারের সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হযরত শাহপরাণ (র.) যে ওয়ার্ডে শায়িত আছেন সেই ওয়ার্ডের প্রতি সকলের নজর রয়েছে। প্রশাসনও তীক্ষè নজর রাখছেন ওয়ার্ডটির প্রতি। বিশেষ করে এই ওলির মাজারের মর্যাদা স্থানীয়ভাবে যারা রক্ষা করেন তাদের তীক্ষè নজর নির্বাচনের দিকে। তারা মনে করছেন এই ওলির মাজারের মর্যাদা রক্ষা করতে পারবেন-এমন একজন কাউন্সিলর তাদেরকে নির্বাচিত করতে হবে। এই ভাবনা থেকে স্থানীয় সচেতন মহল স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি গৌস উদ্দিন পাখি মিয়াকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করতে ভোটের মাঠ চষে বেড়িয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, গৌস উদ্দিন পাখি মিয়া একজন মানবিক ব্যক্তি। হযরত শাহপরাণ (র.) মাজারে আগত ভক্তরা বিভিন্ন সময় হয়রানীর শিকার হন। ওই হয়রানী থেকে আগত লোকজনকে মুক্ত করতে ডাক পড়ে পাখি মিয়ার। তিনি কঠোর হস্তে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

স্থানীয়রা জানান, পাখি মেম্বারের পরিবার যুগ যুগ ধরে এলাকার মানুষের সেবা দিয়ে আসছেন। সুখে দুখে পাশে থাকেন। পাখি মেম্বারের পিতা একাধিকবার মেম্বার নির্বাচিত হয়েছেন। পাখি মেম্বারও একাধিকবার নির্বাচিত হয়েছেন মেম্বার। এলাকার সব শ্রেণির মানুষের জন্যে পাখি মেম্বারের বাড়ির দরজা খোলা থাকে সব সময়। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন নি:সঙ্কচে। স্থানীয় সচেতন মহলের সহযোগিতা নিয়ে এবার তিনি ৩৩ নয় ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার পর এলাকাবাসীকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তিনি। মাদকমুক্ত এলাকা প্রতিষ্ঠা করবেন তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্নীতিমুক্ত এলাকা প্রতিষ্ঠায় উজার করে দেবেন নিজকে। এলাকার উন্নয়নে সর্বশক্তি প্রয়োগ করবেন। স্বাস্থ্য ও শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করবেন পরিকল্পিতভাবে। সব মিলিয়ে তিনি এই ওয়ার্ডকে আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছেন।


১৭ জুন এ নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল গোস উদ্দিন পাখি মিয়ার। তিনি জানান, অতীতের ন্যায় আগামীতেও এলাকাবাসীর সুখে দুখে পাশে থাকতে চান। এই জন্যে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে তিনি পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেবেন বলে জানান। সেই সাথে এই ওয়ার্ডে অবস্থিত ওলির মাজারের মর্যাদা রক্ষায় সব ধরণের পদক্ষেপ নেবেন। এখানে আগত ভক্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিশেষ পরিকল্পনা নেবেন। মাজার ও আশপাশ এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসবেন। এখানে কোনো ভক্ত হয়রানীর বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। তিনি এয়ারকন্ডিশন প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 
 


সম্পর্কিত খবর