ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা আর বিপথগামী এক নারী মিলে ˆতরি করেছে ভয়ঙ্কর ফাঁদ| সে ফাঁদে পা দিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন অনেকে| কেউ মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে রক্ষা পেয়েছেন আবার কেউ হয়েছেন মামলার আসিামি| এমনই এক ফাঁদ ˆতরির অভিযোগ উঠেছে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক তকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে| তাঁর হাত থেকে রেহাই পাননি ৬৫ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত| এ ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী|
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালীগঞ্জের রাকড়া গ্রামের মৃত অধির ঘোষের মেয়ে পিংকি রানী ঘোষ অপ্রাপ্ত বয়সে স্থানীয় এক হিন্দু যুবকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে জড়িয়ে পড়েন| কিছুদিন যেত না যেতেই বেপরোয়া হয়ে ওঠে সে| এর দেড়বছরের মাথায় পাশ্ববর্তী কোটচাঁদপুর উপজেলায় এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে আবারো বিবাহ করেন| সেখানে কিছুদিন সংসার করার পর একটা সন্তান জন্ম দেয়| এর কিছুদিন স্বামী -সন্তানকে ফেলে রেখে সেখান থেকে চলে আসে| এরপর পরিচয় হয় পুলিশের উপপরিদর্শক তকিবুর রহমানের সঙ্গে| পরে দুজনে মিলে গড়ে তোলে ভয়ঙ্কর এক ফাঁদ| তাদের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে অনেক দিয়েছেন লাখ লাখ টাকা, অনেকে মামলার আসামি হয়েছেন| কেউ ছেড়েছেন নিজের বাড়ি|
সূত্র বলছে, পুলিশ কর্মকর্তা তকিবুর ও পিংকির ফাঁদে পড়েছেন কালীগঞ্জ উপজেলার ষাটোর্ধ অনোয়ার হোসেন, মুজাহিদুল ইসলামসহ আরো অনেকে| তাদের চাহিদামত টাকা দিয়ে অনেকে আবার মামলা থেকে রেহাই পেয়েছেন|
জেলা সচেতন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি আনোয়ারুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘এসব ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটে চললেও সংশ্লিষ্টরা নজর দিচ্ছে না| আর এ ঘটনা তো নজিরবিহীন| অনতিবিলম্বে এই চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি|
অভিযোগের বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক তকিবুর রহমান বলেন, ‘এমন ঘটনা আমি ঘটাতেই পারি না| পারলে এসব নিয়ে লেখালেখির দরকার নেই|’
এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘দুটি ঘটনা আমি এখানে যোগদানের আগের| তবুও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে|'