বিদ্যমান সার বিতরণ নীতিমালা- ২০০৯ বহাল রাখা এবং সার বিক্রির কমিশন যৌক্তিক পর্যায়ে বাড়ানোর দাবিতে গাজীপুরের সার ডিলাররা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন।
রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল এগারোটায় জেলা ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএ) পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাজ্বি মো. আঃ কাদির মিয়া এবং সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম সরকারের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সার ডিলার এতে অংশ নেন এবং বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন।
বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ) খাদ্য উৎপাদন ও কৃষির সার্বিক উন্নতির লক্ষ্যে ১৯৯৪ সাল থেকে একটি বৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে কাজ করে আসছে। দীর্ঘ তিন দশক যাবৎ এই সংগঠনটি সরকারের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে কৃষির উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করছে এবং সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে সারা দেশে সুশৃঙ্খলভাবে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করছে। বিগত দিনে গাজীপুরসহ সারাদেশে সার বিতরণে কোনো ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়নি।
কিন্তু সম্প্রতি সরকার বিদ্যমান নীতিমালা- ২০০৯ পরিবর্তন করে নতুন নীতিমালা অনুমোদন দেওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকল সার ডিলাররা হতাশ হয়েছেন। সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম সরকার বলেন, বাস্তবতার আলোকে নীতিমালা পরিবর্তন করতে হলে অবশ্যই অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে তা করতে হবে। তাই সার ডিলারদের প্রধান দাবি হলো বিদ্যমান নীতিমালা বহাল রেখে তাদের ব্যবসায়িক কমিশন বৃদ্ধি করা।
স্মারকলিপি প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. মোশারফ হোসেন ফকির, নারায়ণ চন্দ্র বণিক, আব্দুল মান্নান এবং শামসুল আলম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সারবিষয়ক জাতীয় কমিটির সভায় ‘সার পরিবেশক, নিয়োগ ও সার বিতরণসংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা ২০২৫’ অনুমোদন করা হয়, যা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।