গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জেতার ফলে দেশের শাসনব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন আসছে। জাতীয় সংসদ হবে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদীয় কমিটির সভাপতি নিয়োগ দেওয়া হবে। দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার হবেন।
এবার সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকায় থাকবেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের বিজয়ী সংসদ সদস্যরা। তাদের মধ্যে ডেপুটি স্পিকার পদে আলোচনায় আছেন জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন। আছে মীর কাসেম আলির ছেলে ব্যারিস্টার আহমদ বিন কাসেম আরমানের নামও।
তবে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেনের সম্ভাবনা বেশি।
অন্যদিকে ১১ দলের শরিকদের মধ্যে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ হতে পারেন বিরোধী দলের হুইপ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত এককভাবে ৬৮, এনসিপি ৬টি এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি ও খেলাফত মজলিসের একটিসহ ১১-দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি আসন। জোটের সূত্র মতে, দলীয় প্রধান হিসেবে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান সংসদীয় দলের নেতা হবেন— এটা নিশ্চিত।