জাতীয়

বড়দোয়ারা বনবিট কর্মকর্তা বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগের আওতাধীন সাতকানিয়ার বড়দোয়ারা বনবিটের কর্মকর্তা বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে  ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, বড়দোয়ারা বিটের দায়িত্বে থাকা বজলুর রশিদ  বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কাঠবাহী গাড়ি থেকে টাকা আদায় করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়দোয়ারা বিটটি বান্দরবান–কেরানীহাট সড়কের বড়দোয়ারা এলাকায় অবস্থিত। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বান্দরবান দিক থেকে আসা কাঠবাহী ট্রাকগুলো থেকে নিয়মিত টাকা আদায় করা হয়।  নাম প্রকাশ নট্রাকের ধরন ও মালামালের ওপর নির্ভর করে আদায়ের পরিমাণ ভিন্ন হয় বলে দাবি তাদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বড়দোয়ারা বনবিটটি বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের বড়দোয়ারা এলাকায় অবস্থিত। এই পথটি মূলত বান্দরবান থেকে চট্টগ্রামগামী কাঠ পরিবহনের প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, ওই বনবিটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা বজলুর রশিদ নিয়মিতভাবে বৈধ ও অবৈধ কাঠবাহী গাড়ি থেকে চাঁদা আদায় করে থাকেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি বৈধ কাঠবাহী ট্রাক থেকে সাড়ে তিন হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়।

এছাড়া প্রতিদিন রাতে ওই কর্মকর্তাকে ম্যানজে করে শতশত    অবধৈ  কাঠবাহি  ট্রাক সাতাকানয়িা লোহাড়ার ও চন্দনাইশরে ইটভাটাগুলোতে যায়। অভিযোগ উঠেছে এতে বিরানভুমিতে পরিণত হয়েছে  হলদিয়া, কদুখোলা, রেইছা সুয়ালক এলাকা।  এসব গাড়ির প্রতিটি থেকে প্রায় দশ হাজার টাকা করে আদায় করা হয় বলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন।

তাদের অভিযোগ, ফার্নিচার বা আসবাবপত্র বহনকারী ট্রাক থেকেও নিয়মিত সাড়ে চার হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। কাঠ ও আসবাবপত্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈধ কাগজপত্র দেখানোর পরও তাদের হয়রানি করা হয়। কেউ যদি টাকা না দেয়, তার গাড়ি ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়।

সাতকানিয়ার বড়দোয়ারা এলাকার এক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ী বলেন, “আমাদের সব কাগজ ঠিক থাকে। তারপরও নানা অজুহাতে গাড়ি দাঁড় করিয়ে টাকা নিতে হয়। না দিলে গাড়ি ছাড়ে না, আর দিলে কোনো সমস্যা থাকে না।”

একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে কাঠ ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত খরচের মুখে পড়ছেন। কেউ কেউ বিষয়টি উচ্চপর্যায়ে অভিযোগ হিসেবে জানালেও এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

এই বিষয়ে জানান জন্য বজলুর রশিদকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিরি রিসিভ করেননি।

 



সম্পর্কিত খবর