ঢাকা

শিক্ষায় স্বচ্ছ ও ন্যায্য গ্রেডিং নিশ্চিতে গাকৃবিতে শিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

শিক্ষায় স্বচ্ছতা, ন্যায়সংগত মূল্যায়ন ও মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে রুব্রিক ভিত্তিক গ্রেডিং পদ্ধতি বিষয়ক দিনব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

 

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স সেল (আইকিউএসি) সেমিনার কক্ষে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

 

প্রশিক্ষণে রুব্রিক ভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। এ পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের অর্জনকে পূর্বনির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে স্পষ্ট, গুণগত ও ন্যায়সংগত ভাবে মূল্যায়ন করা। যার মাধ্যমে একটি দায়িত্বশীল ও শিক্ষার্থী কেন্দ্রিক গ্রেডিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকরা এতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. ময়নুল হক এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক প্রফেসর ড. মো. শরীফ রায়হান। প্রশিক্ষণের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী বলেন, পূর্বনির্ধারিত মানদণ্ডের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করলে নম্বর প্রদান প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও আস্থাশীল হয়। পরবর্তীতে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ রুব্রিক প্রণয়ন, মানদণ্ড নির্ধারণ ও গ্রেডিং স্কেল ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় আমাদের গ্রেডিং পদ্ধতি অনেক আধুনিক ও মানসম্মত। আজকের প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করলে শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত মূল্যায়ন নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব কেবল পাঠদানেই সীমাবদ্ধ নয়; দক্ষ শিক্ষক হওয়ার পাশাপাশি গবেষণায় উৎকর্ষ অর্জনেও সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে রুব্রিক প্রণয়ন, মানদণ্ড নির্ধারণ, গ্রেডিং স্কেল নির্মাণ ও ব্যবহারিক প্রয়োগের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেন ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সফিউল ইসলাম আফ্রাদ, প্রফেসর ড. নাসরীন আক্তার আইভী, প্রফেসর ড. শেখ শামীম হাসান এবং প্রফেসর ড. মোঃ মোতাহার হোসেন।

শেষ পর্বে প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর সেশনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময় করেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমে আরও গুণগত পরিবর্তন আসবে।



সম্পর্কিত খবর