খেলাধুলা

শ্রীলঙ্কাকে টানা ১০ ম্যাচ হারিয়ে ইংল্যান্ডের সিরিজ জয়

টপ অর্ডার ব্যাটারদের সৌজন্যে শ্রীলঙ্কা প্রায় দুইশ রান জমা করে স্কোরবোর্ডে। রান তাড়ায় শুরুতে ধাক্কা খেলেও জস বাটলার হাল ধরেন। পরে টম ব্যান্টনের হাফ সেঞ্চুরি ও হ্যারি ব্রুকের ক্যামিওতে লঙ্কানদের বিপক্ষে জয়ের ধারা ধরে রাখে ইংল্যান্ড। গতকাল (রোববার) পাল্লেকেলেতে জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখে তিন টি-টোয়েন্টি সিরিজ নিশ্চিত করল সফরকারীরা। এই সংস্করণে শ্রীলঙ্কাকে টানা ১০ ম্যাচ হারাল ইংল্যান্ড। লঙ্কানরা শেষবার ইংলিশদের বিপক্ষে জিতেছিল ২০১৪ সালে।

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস স্টার্ন পদ্ধতিতে ইংল্যান্ড ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে জিতেছে। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেটে ১৮৯ রান করে। ম্যাচ শেষে শ্রীলঙ্কার চেয়ে ১৬ রান কম করেও জয় পায় ইংল্যান্ড। কারণ বৃষ্টিতে তাদের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭ ওভারে ১৬৮। ১৬.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ১৭৩ রান করে ইংলিশরা।

 

ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালো হয়েছিল শ্রীলঙ্কার। প্রথম ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা টানা তিনটি চার মারেন স্যাম কারানকে। পরের ওভারে তিনি জোফরা আর্চারকে ছক্কা মারেন। একই ওভারে কামিল মিশারাও ছয় হাঁকান। নিসাঙ্কার আরেক ছক্কায় ২৭ বলে ৫০ রান তোলে লঙ্কানরা। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে তাকে মাঠ ছাড়তে হয়। ২২ বলে ৩৪ রানে আর্চারের শিকার হন নিসাঙ্কা। 

 

৫৬ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ১০ ওভার শেষে ১ উইকেটে ১০২ রান করে শক্ত অবস্থান নেয় শ্রীলঙ্কা। তখন কুশল মেন্ডিস ২৩ ও মিশারা ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। পরের ওভারে মিশারা ৩০ বলে ৩৬ রান করে মাঠ ছাড়লে ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। কুশল ও পাভান রত্নায়েকে পরের ওভারে দুই ছয় ও এক চারে ২১ রান তুললেও টানা দুই ওভারে উইকেট হারায় তারা। কুশল ১৭ বলে ৩২ রানে থামেন। অধিনায়ক দাসুন শানাকা ১ রানে আউট।

 

ডেথ ওভারে চারিথ আসালাঙ্কা ও পাভান ঝড়ো ইনিংস খেলে দলীয় স্কোর চ্যালেঞ্জিং করে তোলেন। ১৭তম ওভারে আর্চারকে তিনটি চার মেরে ১৫ রান তোলেন আসালাঙ্কা। ১৯তম ওভারে দুজনের ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। শেষ ওভারে আর্চার নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ১৯০-এর ঘর ছুঁতে দেননি। ইনিংসের দুই বল বাকি থাকতে আসালাঙ্কা ২২ বলে ইনিংস সেরা ৪০ রান করে তার শিকার হন। আসালাঙ্কা ২৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।

 



সম্পর্কিত খবর