সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ বলেছেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক, রাজনৈতিক, সুশাসনসহ সব বিষয় মাথায় রেখে বিদ্যমান কাঠামোর সংস্কার দরকার। সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। সবার সঙ্গে আলোচনার মধ্য দিয়েই জাতীয় ঐকমত্য তৈরি হবে।
বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্য ও নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
সচেতন, সংগঠিত ও সোচ্চার জনগোষ্ঠীই গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ, রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক ঐক্যমত্য ও নাগরিক ভাবনা গোলটেবিল বৈঠকটির আয়োজন করে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। অনুষ্ঠানে সুজন সম্পাদক ও নির্বচান ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার সভাপতিত্ব করেন।
আলী রীয়াজ বলেন, আমরা দেখেছি নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়েছিল। আবার বিচার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, এটা গণতান্ত্রিক নয়। বিচারহীনতা থেকে বেরিয়ে আসতে দরকার সংস্কার। সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে সংস্কার প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।
তিনি বলেন, বিদ্যমান কাঠামোর সংস্কার দরকার। সংস্কার না হলে স্বৈরতন্ত্র মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না। এতে আবারও দুঃশাসন ফিরে আসতে পারে।
আলী রীয়াজ বলেন, বিগত ১৬ বছরে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে দুর্বল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সঠিক গণতন্ত্রের চর্চা না থাকার কারণে দুর্বল ও ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতে দেয়নি।
তিনি বলেন, সংস্কারের প্রস্তাব মূলত এসেছে জনগণের কাছ থেকে। এখন কাঠামোগত বিদ্যমান ব্যবস্থার সংস্কার ছাড়া স্বৈরতন্ত্রের মোকাবিলা করা যাবে না।
বায়ান্ন/একে