রাজনীতি

ঐক্য করতে গিয়ে যেন বাকশালে রূপান্তর না হয়, সতর্ক থাকতে হবে: ড. মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ঐক্য অবশ্যই প্রয়োজন জাতি, ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে। এতে কারও কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না। কিন্তু সতর্ক করে দিতে চাই, ইংরেজিতে একটি কথা আছে, ইউনিটি ইন ডাইভারসিটি। আমরা ঐক্য করতে গিয়ে যদি আবার বাকশাল করে ফেলি তাহলে কিন্তু সেই ঐক্যে কাজ হবে না। আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। ডেমোক্রেসি মুখে বলা সহজ, কিন্তু বাস্তবে রূপ দেওয়া এতো সহজ না।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আতিকুর রহমান সালুর স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশের নদী-পানির অধিকার আন্দোলনের পুরোধা ও আন্তর্জাতিক ফারাক্কা কমিটির নেতা আতিকুর রহমান সালুর স্মরণে এ সভার আয়োজন করা হয়।

ড. মঈন খান বলেন, স্বৈরাচার পালালেও দেশে গণতন্ত্র পুরোপুরি ফিরে আসেনি। প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা নিজেরা নিজেদের সংস্কার না করি, তাহলে এই সরকার যত সংস্কার কমিশন ও সংস্কারই করুক না কেন কোনো লাভ হবে না। বর্তমানে রাজনীতির চ্যালেঞ্জ আমাদের প্রত্যেকের নিজেদের নিজেকে সংস্কার করা।

আতিকুর রহমান সালুর স্মৃতিচারণ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেন, একটি নাম আতিকুর রহমান সালু, একটি প্রতিবাদ আতিকুর রহমান সালু। এই মানুষটিকে কেন এতদিন আমরা স্মরণ করিনি। আজ তার মৃত্যুর এক বছর পর আমরা এখানে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছি। দ্য ডেমোক্রেটিক গভর্নমেন্ট অব ইস্ট বেঙ্গলের ঘোষণাপত্র পাঠ করেছিলেন সালু। ইতিহাস সবসময় মানুষের ওপর সুবিচার করে না।

স্মরণসভায় আরও বক্তব্য রাখেন- জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, আইএফসি সভাপতি অধ্যাপক জসীম উদ্দিন আহমেদ, চেয়ারম্যান সৈয়দ টিপু সুলতান, সমন্বয়ক মোস্তফা কামাল মজুমদার, সহ-সভাপতি ড. নাজমা আহমেদ, সাবেক এমপি জহিরুদ্দিন স্বপন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, এফ কে মো. এমদাদ খান, বিএফইউজে মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া প্রমুখ।

বায়ান্ন/আরএইচ/একে

 



সম্পর্কিত খবর