শিক্ষা

কুয়েট শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক ঘুরে বটতলায় এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। 

মিছিলে শিক্ষার্থীরা 'জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো', 'লীগ গেছে যে পথে, দল যাবে সেই পথে', 'টেম্পু না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা', সন্ত্রাসীদের আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও', 'চাঁদাবাজি না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা', 'লীগ আর ছাত্রদল, সন্ত্রাস করে দুই দল' ইত্যাদি স্লোগান দেন।

সমাবেশে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৪৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম বলেন,একদল ক্ষমতায় না গিয়েও যে ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করেছে, তাতে বোঝা যায় ক্ষমতায় গেলে তারা কি করতে পারে। চব্বিশে দুই হাজার শিক্ষার্থীর জীবন, রক্ত আর পঙ্গুত্বের বিনিময়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি সেই বাংলাদেশে আবার কেউ এসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করবে, তাদের কোপাবে এইগুলা দেখার জন্য না। আমরা পৃথীবীর অন্যতম শক্তিশালী স্বৈরশাসককে ছত্রিশ দিনে বিতাড়িত করেছি, এই ছাত্রদল বিএনপির সন্ত্রাসীদেরকে বিতাড়িত করতে ছত্রিশ মিনিটও সময় নিবেনা ছাত্রসমাজ। আপনারা গণমানুষের রাজনীতি করুন, ছাত্রসমাজের পাশে থাকেন অন্যথায় আমরা আপনাদেরকে চব্বিশের রাজাকার বলে চিহ্নিত করবো।

সমাবেশে তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের ৪৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুর রশিদ জিতু বলেন, গণঅভ্যুত্থানের সাত মাস না পরোতেই একটি ক্ষমতালোভী দল কুয়েটে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছে যা তাদের ক্ষমতাচর্চার প্রথম ধাপ। ছাত্রদল যদি এ ধরনের নিন্দানীয় কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকে তাহলে ছাত্রলীগের মতো তাদেরকেও ক্যাম্পাস ছাড়া করতে আমরা বিন্দুমাত্র সময় নিব না। আমরা স্পষ্টভাবে ছাত্রদলকে বলে দিতে চাই, আর যদি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন শিক্ষক শিক্ষার্থীর রক্ত ঝরে তবে লীগের চেয়েও ভয়াবহ অবস্থা হবে ছাত্রদলের। এ হামলার ঘটনার সাথে যারা যারা জড়িত রয়েছে তাদের সকলের শাস্তির জন্য অন্তর্র্বতীকালীন সরকারকে আহ্বান জানাই।

বায়ান্ন/প্রতিনিধি/পিএইচ



সম্পর্কিত খবর