দেশের শত বর্ষের ঐতিহ্যের স্মারক গোলাপগঞ্জ এম.সি একাডেমীকে নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে নানান আগ্রহ কাজ করছে। আর মাত্র এক দশক পরে শতবর্ষে পদার্পন করতে যাচ্ছে এ প্রতিষ্ঠানটি। লক্ষাধিক শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দিয়ে আলোকিত করেছে এম.সি একাডেমী। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষার্থী বিভিন্ন সময়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজ যোগ্যতার বলে সুনাম অর্জন করে এম.সি একাডেমীর পরিচিতি তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। এম.সি একাডেমীকে নিয়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অনেক কিছুই করতে চান। এ নিয়ে গোলাপগঞ্জ পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সমন¦য়ে বিশেষসভা।
সিলেট তথা বাংলাদেশের একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানহ চ্ছে গোলাপগঞ্জ এম.সি একাডেমী।
১৯৩৪ সালে প্রতিষ্ঠানটি জন্ম লাভের পর লক্ষাধিক আলোকিত মানুষ সৃষ্টি করে এম.সি একাডেমী নিজের পরিচিতি দেশে বিদেশে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু কে রদ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকার্যক্রম এখানে চলমান আছে। সাম্প্রতিক সময়ে এম.সি একাডেমী সরকারিকরণ করা হয়। এম.সিএ কাডেমীর সোনালী অতীতকে বিশ^ ব্যাপী তুলে ধরতে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নানান ধরনের কর্মসূচী গ্রহণের পদক্ষেপ নিচ্ছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ৯০ বছরপূর্তি ও পরবর্তিতে শতবর্ষ পালনের লক্ষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা দেশে বিদেশে শুরু করেছেন নানান তৎপরতা।
এব্যাপারে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা সম্মেলন কক্ষে এম.সি একাডেমীর প্রাক্তন শিক্ষার্থী পৌর মেয়র আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও এম.সি একাডেমীর সাবেক জিএস সিলেট পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সভাপতি সাংবাদিক আব্দুল আহাদের পরিচালনায় এক সভা অনুষ্টিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন এম.সি একাডেমীর সাবেক জিএস ওয়েছুর রহমান, সাবেক জিএস মোস্তাফিজুর রহমান সুমন, গোলাপগঞ্জ পৌরসভার কাউন্সিলর ফজলুল আলম, গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাব সেক্রেটারী মাহফুজ আহমদ চৌধুরী, পৌর কাউন্সিলর জহির উদ্দিন সেলিম, শিক্ষক জামাল আহমদ, পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা আব্দুর রহিম লিলু, ব্যাংকার সাহেদ আহমদ, ছায়েম আহমদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী খায়রুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, বদরুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় এম.সি একাডেমীর ৯০ বছরপূর্তি অনুষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে পালনেরবিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।