১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শেকল ভেঙে স্বাধীনতার স্বাদ গ্রহণ করে। ২৪ বছরের নাগপাশ ছিন্ন করে জাতির ভাগ্যাকাশে দেখা দেয় এক নতুন সূর্যোদয়। প্রভাত সূর্যের রক্তাভ ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে। সমস্বরে একটি ধ্বনি যেন নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেয়, জয় বাংলা বাংলার জয়। মহামুক্তির আনন্দ ঘোর এই দিনে এক নতুন উল্লাস জাতিকে প্রাণ সঞ্চার করে সজীবতা এনে দেয়। যুগ যুগ ধরে শোষিত বঞ্চিত বাঙালি চোখে আনন্দ অশ্রæ আর ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তা নিয়ে এগিয়ে যায় সামনে। বিন্দু বিন্দু স্বপ্নের শেষে মিলিত হয় জীবনের মোহনায়। অবশেষে ৯ মাসের দুঃস্বপ্নের অবসান ঘটিয়ে বাঙালি জাতির জীবনে এলো নতুন প্রভাত। ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সূচিত হয় মুক্তিযুদ্ধের অনিবার্য বিজয়। এর মধ্য দিয়ে এলো হাজার বছরের কাঙ্খিত স্বাধীনতা। ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ রবিবার বেলা ১২ টায় সমিতির সভাকক্ষে সিলেট ডায়াবেটিক সমিতি আয়োজিত শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে কথা গুলো বলেন সভার সভাপতি অধ্যাপক ডা. আজিজুর রহমান।
সিলেট ডায়াবেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের অফিস সহকারী মো: লিয়াকত হোসেন এর সঞ্চলনায় সভায় ১৪ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সনে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞ ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণ করে বিজয়ের তাৎপর্য বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন ও বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক লোকমান আহমদ, সদস্য বশিরুল হক, কে. এ. কিবরিয়া চৌধুরী, হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা: আলাউদ্দিন আহমেদ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. ললিত মোহন নাথ প্রমূখ। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমিতির কোষাধ্যক্ষ এম. এ. মান্নান, যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্যসহ সমিতির জীবন সদস্যগন ও হাসপাতালের চিকিৎসক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।