রংপুরের গঙ্গাচড়ায় দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষা বাঁধ ধসের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) রংপুরের প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের ভাঙন পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও সমাধানের লক্ষ্যে ঢাকা থেকে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসবেন।
জানা গেছে, সম্প্রতি উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও আর ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এলজিইডির ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো বাঁশের পাইলিং ভেঙে গেছে। একই সঙ্গে সেতু রক্ষা বাঁধেও দেখা দিয়েছে বড় ধরনের ভাঙন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুসহ রংপুর-লালমনিরহাট সড়ক।
গত বছর শুরু হওয়া ভাঙন পরিস্থিতি সামাল দিতে সেই সময়ে অস্থায়ীভাবে এই বাঁশের পাইলিং বসানো হয়েছিল। তবে সেই পাইলিং বসানোর ছয় মাস না যেতেই পানি বৃদ্ধির প্রথম ধাক্কাতেই ভেঙে গেছে। এতে করে সেতুর উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয় এবং এখন পর্যন্ত বাঁধের প্রায় ৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে সেখানে ৬০ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। রংপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, বাঁধ ধসের পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উল্লেখিত কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।