নোয়াখালীর সেনবাগে পানিতে ডুবে আপন দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে।
১৯ আগস্ট সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার সময় উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো, একই গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে বিবি মরিয়ম অহি (১০) ও সিদরাতুল মুনতাহা ছহির (৬)।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সাথে কথা বলে জানা যায়, দুই বোন স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়ে। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুই বোন এক সাথে ঘরের পাশের পুকুর ঘাটে মুখ ধোয়ার জন্য যায়। সেখানে তারা ঘাটে একটি শামুক দেখতে পায়। একপর্যায়ে বড় বোন অহি পুকুরে ঘাটে থাকা শামুক হাত দিয়ে ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায়। তখন বড় বোনকে ধরতে গিয়ে ছোট বোন ছহিরও পুকুরের পানিতে পড়ে ডুবে যায়। বাড়িতে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। পরে সকাল ৭টার সময় দুই বোনকে অচেতন অবস্থায় পুকুরে ভাসতে দেখে তাদের বাড়ির এক চাচা উদ্ধার করে। এরপর স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
সেনবাগ থানার উপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রউফ বলেন, পুকুরের ঘাটলায় শামুক ধরতে গিয়ে বড় বোন পানিতে পড়ে যায়। তাকে ধরতে গিয়ে ছোট বোনও পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
১৯ আগস্ট সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার সময় উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মারা যাওয়া শিশুরা হলো, একই গ্রামের বেলাল হোসেনের মেয়ে বিবি মরিয়ম অহি (১০) ও সিদরাতুল মুনতাহা ছহির (৬)।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সাথে কথা বলে জানা যায়, দুই বোন স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়ে। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে দুই বোন এক সাথে ঘরের পাশের পুকুর ঘাটে মুখ ধোয়ার জন্য যায়। সেখানে তারা ঘাটে একটি শামুক দেখতে পায়। একপর্যায়ে বড় বোন অহি পুকুরে ঘাটে থাকা শামুক হাত দিয়ে ধরতে গিয়ে পানিতে পড়ে যায়। তখন বড় বোনকে ধরতে গিয়ে ছোট বোন ছহিরও পুকুরের পানিতে পড়ে ডুবে যায়। বাড়িতে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করলে এমন দৃশ্য দেখা যায়। পরে সকাল ৭টার সময় দুই বোনকে অচেতন অবস্থায় পুকুরে ভাসতে দেখে তাদের বাড়ির এক চাচা উদ্ধার করে। এরপর স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
সেনবাগ থানার উপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রউফ বলেন, পুকুরের ঘাটলায় শামুক ধরতে গিয়ে বড় বোন পানিতে পড়ে যায়। তাকে ধরতে গিয়ে ছোট বোনও পানিতে পড়ে ডুবে মারা যায়। কোন অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।