আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বাচনে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি। দেশের বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন চলছে। তাদের অনুরোধে নির্বাচন পেছানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আইন অনুযায়ী প্রতি তিন বছর পরপর বার কাউন্সিলের নির্বাচন হওয়ার কথা।
বিশেষ পরিস্থিতি যেমন মহামারি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কোনো ধরনের দুর্যোগ ঘটে, তখন নির্বাচন স্থগিত রেখে অ্যাডহক কমিটি গঠনের বিধান থাকে।’
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, “যেকোনো যুক্তিসংগত কারণে আইনে নির্বাচন স্থগিত করার সুযোগ আছে। তবে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে উল্লেখ করেননি। ওই অংশটুকু তিনি আনেননি। এরপর তিনি কবিতার ভাষায় পড়ে শোনান, ‘তুমি সব বোঝো মানি, যতটুকু বোঝো না ততটুকুই আমি।
’ তিনি সব বোঝেন এটা যেমন মানি; কিন্তু যতটুকু তার প্রয়োজন ততটুকু তিনি আনেন, এর বাইরের টুকু আনেন না।”
তিনি আরো বলেন, ‘ঢাকা বারসহ বেশ কয়েকটি অ্যাসোসিয়েশন তাদের নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় রাখার স্বার্থে নির্বাচন পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছিল। বিশেষ করে ঢাকা বারের ২২ হাজারেরও বেশি আইনজীবী সদস্য রয়েছেন। তাদের নির্বাচন ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
র আগে আখতার হোসেন বলেন, ‘জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে গতকাল মধ্যরাতে নোটিশের মাধ্যমে বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু সংসদে সরকারের পক্ষ থেকে জ্বালানি সংকট নেই বলে দাবি করা হয়। অথচ একই সরকার-সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে সেই সংকটের কারণ দেখানো হচ্ছে কেন।’ আসলে কি জ্বালানি সংকট কি ইস্যু নাকি একটা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ রাখা হবে, সেটা মূল ইস্যু এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা প্রয়োজন বলে প্রশ্ন রাখেন তিনি।