পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের পাশে আমতলীর উতশিতলা নামক এলাকায় খোলা স্থানে পৌরসভার ময়লা ফেলা হচ্ছে। পঁচা দুর্গন্ধে এলাকা পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। সড়কের চলাচলকারী মানুষ নাক চেপে যেতে হচ্ছে। দ্রুত এ ময়লার বাগাড় সরিয়ে নেয়ার দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
জানাগেছে, ১৯৯৮ সালে ২৩ আগষ্ট আমতলী পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। গত ২৭ বছরে আমতলী পৌরসভা কর্তৃপক্ষ আধুনিক বর্জ ব্যবস্থাপনা ডাম্পিং ষ্টেশন নির্মাণ করা হয়নি। শহরের বিভিন্ন স্থান ও নদীতে ময়লা ফেলে আসছে। এতে শহরের পরিবেশ চরম আকারে দুষিত হয়। গত তিন মাস ধরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের আমতলীর উতশিতলা নামক স্থানে ময়লা ফেলা শুরু করে। খোলা স্থানে ময়লা ফেলায় এলাকার পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। বাতাসের সঙ্গে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পরেছে। এ মহাসড়কে প্রতিদিন অন্তত কয়েক হাজার যানবাহনে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ চলাচল করে। গ্রামের বাসিন্দা ও যানবাহনের চলাচলকারী মানুষ দুষিত পরিবেশে জীবন যাপন করছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন মহাসড়কের পাশে খোলা স্থানে ময়লা ফেলায় বসবাস করা খুবই কষ্টকর।
সরেজমিনে দেখাগেছে, সড়কের পাশে ময়লায় একাকার হয়ে আছে। দুর্গন্ধে পরিবহন গাড়ীর জানালা ও দরজা বন্ধ রাখা হচ্ছে। এছাড়াও পৌর শহরের ওয়াবদা এলাকা ও টিএনটি রোড়ে ময়লা ফেলা রাখা হয়েছে।
আমতলী পৌরসভার বর্জ ব্যবস্থাপনা পরিদর্শক মোঃ জাহিদুল ইসলাম জাকির মৃধা বলেন, ময়লার আধুনিক বর্জ ব্যবস্থাপনা ডাম্পিং ষ্টেশন না থাকায় ময়লা মহাসড়কের পাশে রাখা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন দুর্গন্ধ রোধে ওই ময়লায় ব্লিসিং পাউডার দেয়া হয়।
আমতলী পৌর প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মামুনুর রশিদ বলেন, ময়লা ফেললে দুর্গন্ধতো ছড়াবেই। ময়লার ফেলার ডাম্পিং ষ্টেশন নির্মাণ করতে হলে অন্তত ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার প্রয়োজন। ওই পরিমান টাকা পৌরসভায় বরাদ্দ নেই। ফলে ডাম্পিং ষ্টেশন করতে পারছি না। অর্থ সংঙ্কুলান হলে আধুনিক বর্জ ব্যবস্থাপনা ডাম্পিং ষ্টেশন করা হবে।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার পৌর প্রশাসক মোঃ রোকনুজ্জামান খান বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি। খুব দ্রুত এ ময়লা সরানোর কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।