ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহাম্মদ আবদুল হামিদ জমাদ্দার বলেছেন, সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কল্যাণে খুবই আন্তরিক। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জীবনমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সরকার সারাদেশের সাড়ে তিন লাখ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের স্বাবলম্বী করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট করে নজির স্থাপন করেছেন। এটাকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে আসার চিন্তাভাবনা চলছে।
শনিবার (২৫ নভেম্বর) নগরীর ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমিতে সাত জেলার ইমামদের ৪৫ দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি সিলেটের উপপরিচালক মাওলানা শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হাওর উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আবদুর রাজ্জাক ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিলেট বিভাগীয় অফিসের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন।
সৈয়দ ফখরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থী ইমামদের মধ্যে বক্তব্য দেন মাওলানা হাফিজুর রহমান, মাওলানা আবদুল আজিজ, মাওলানা মো. কাওসার ও মাওলানা বোরহান উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচেষ্টায় দেশের ৭৪ হাজার মসজিদে গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু করে কোমলমতি শিশুদের মনে দ্বীনি শিক্ষার বুনিয়াদ গড়ে দেওয়া হচ্ছে। ধীরে ধীরে দেশের সব মসজিদে গণশিক্ষা কার্যক্রম চালুর চিন্তাভাবনা রয়েছে।
সভাপতির বক্তব্যে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির উপপরিচালক শাহ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, দেশের লাখো মসজিদের মিম্বর থেকে প্রতি শুক্রবার জুমার বয়ানে শান্তি ও সম্প্রীতির বাণী পৌছে দিচ্ছেন ইমাম ও খতিবরা। তারা সরকারের লোকাল ডেভেলপমেন্ট এজন্ট হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এর আগে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সিলেট বিভাগীয় অফিস অডিটোরিয়ামে হাওর উন্নয়ন প্রকল্পের উপজেলা ভিত্তিক তিনদিন ব্যাপি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুহাম্মদ আবদুল হামিদ জমাদ্দার।
অনুষ্ঠানে ইফা সিলেট অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।