মানুষের মৌলিক অধিকারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান স্বাস্থ্যসেবা। সেই স্বাস্থ্যসেবাকে হাতিয়ার বানিয়ে নীরবে চলছে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতি। নিজেদের স্বার্থ ও জীবন বদলাতে অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করেন কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান যোগদান করেই তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতিতে জড়িয়ে পরেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা জানান ইতোপূর্বে ও তিনি বিভিন্ন অনিয়ম ও দূর্নীতি কাজের সাথে জড়িত ছিলেন এবং তখন ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ ( স্বাচিপ) এর নেতা হিসাবে অনিয়ম করেছেন। সেই সুবাদে ( স্বাচিপ) এর মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এমএ আজিজ ও তার সহোদর ভাই ফারুকের সাথে যোগসাজশে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জালিয়াতি সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন অপকর্ম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন।গত ৫ আগষ্টের পর তিনি ভোল্ট পাল্টে ড্যাব এর নেতা হিসাবে আত্ম প্রকাশ করেন। সিভিল সার্জন হিসাবে ময়মনসিংহে পদায়ন নেন। এখন ময়মনসিংহের প্রতিটি উপজেলায় আতংকের আরেক নাম ডাঃ সাইফুল ইসলাম খান। তিনি সিন্ডিকেট বাহিনী তৈরি করেছেন শুধু বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছ থেকে টাকা তোলার জন্য। ড্যাবের নবনিবার্চিত কমিটির নামে প্রতি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা চাঁদা দাবী করেন।
সেই সাথে একিই কর্মস্থলে ১০ বছরের অধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের তালিকা করেন।সকলকেই বিভিন্ন সময়ে সিভিল সার্জন অফিসে আসতে বলেন। স্যাকমো,এমটিইপিআই,সিএইচসিপি,উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,স্বাস্থ্য কেন্দ্রসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করেন বদলীর বিষয়ে। ডাক্তারসহ কাউকেই ছাড় দিচ্ছেন না টাকার জন্য মরিয়া হয়েছেন। টাকা দিলে বদলী বাতিল করেন অন্যথায় বদলী করেন।আমরা চাই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে দ্রুত সময়ের মধো ময়মনসিংহ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দুনীতি বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নির্ভয়ে কর্মস্থলে কাজ করার সুব্যবস্থা করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা মানুষের স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে দেশের উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে চাই।
ডাঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান ময়মনসিংহ জেলার স্বাচিপের ভোটার তালিকা নম্বর ২৭৭ এবং তিনি গত সোমবার ছুটি না নিয়েই ঢাকায় যান যা তদন্ত করলেই বের হয়ে আসবে।এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম খান সাংবাদিকদেরকে জানান যারা ১০/১২ বছর ধরে একই কর্মস্থলে কর্মরত তাদের বদলী করা হচ্ছে। কোন টাকা নেওয়া হয়নি।১৩ টি উপজেলায় ২২০০ কর্মচারী রয়েছে তাদের খোঁজখবর নেন আপনারা। অনিয়ম ও দূর্নীতি এবং স্বাচিপের সদস্য বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ প্রদীপ কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন সিভিল সার্জন ছুটি নিলে অবশ্যই আমাকে চিঠি দিবে,উনার কোন চিঠি আমি পাইনি। সিভিল সার্জন ডাঃ সাইফুল ইসলাম খান এর বক্তব্য নেন।আমি উনার বিষয়ে কিছু জানি না।